লংমার্চে জ্বালানি অপচয়, জনগণের ভোগান্তি হবে: ইশরাক.
জ্বালানি সংকটের সময়ে লংমার্চের নামে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ব্যয় করা জাতীয় সম্পদের অপচয় বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মসূচির কারণে জনগণেরও ভোগান্তি হবে।আজ শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি মনে করি, এ লংমার্চ কর্মসূচিটা অযথাই জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে এবং জাতীয় সম্পদ নষ্ট করবে।’প্রতিমন্ত্রী বলেন, লংমার্চে প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেল ব্যয় হবে বলে হিসাব করা হচ্ছে। অথচ দেশে এখন জ্বালানি সংকট চলছে। শুরুতে জ্বালানি সংকটের কারণ দেখিয়ে লংমার্চের কথা বলা হলেও পরে গণরায় বাস্তবায়নের বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে।গণরায় প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, জনগণ সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সেই সংস্কার বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এ জন্য সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত কমিটিতে বিরোধীদলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।দ্বিতীয় শপথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমপি হিসেবে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী শপথ নেওয়ার পর অতিরিক্ত শপথের যে কাগজ দেওয়া হয়েছিল, সেটিকে তিনি অসাংবিধানিক ও অবৈধ মনে করেন। এ বিষয়ে আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। তবে তিনি নিজে এ বিতর্কে যেতে চান না।ইশরাক হোসেন আরও বলেন, সরকার হিসেবে সফল বা ব্যর্থতার মূল্যায়নের পাশাপাশি গত ছয় মাসে বিরোধীদল হিসেবে তারা কতটা সফল হয়েছে, সেটিও জনগণের পর্যালোচনা করা উচিত।পরে প্রতিমন্ত্রী খোকসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। সেখানে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।এরপর খোকসা জানিপুর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, খোকসা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান, খোকসা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন হোসেনসহ অনেকে।পরে তিনি উপজেলা এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জ্বালানি সংকটের সময়ে লংমার্চের নামে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ব্যয় করা জাতীয় সম্পদের অপচয় বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মসূচির কারণে জনগণেরও ভোগান্তি হবে।
আজ শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি মনে করি, এ লংমার্চ কর্মসূচিটা অযথাই জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে এবং জাতীয় সম্পদ নষ্ট করবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, লংমার্চে প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেল ব্যয় হবে বলে হিসাব করা হচ্ছে। অথচ দেশে এখন জ্বালানি সংকট চলছে। শুরুতে জ্বালানি সংকটের কারণ দেখিয়ে লংমার্চের কথা বলা হলেও পরে গণরায় বাস্তবায়নের বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে।
গণরায় প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, জনগণ সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সেই সংস্কার বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এ জন্য সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত কমিটিতে বিরোধীদলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয় শপথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমপি হিসেবে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী শপথ নেওয়ার পর অতিরিক্ত শপথের যে কাগজ দেওয়া হয়েছিল, সেটিকে তিনি অসাংবিধানিক ও অবৈধ মনে করেন। এ বিষয়ে আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। তবে তিনি নিজে এ বিতর্কে যেতে চান না।
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, সরকার হিসেবে সফল বা ব্যর্থতার মূল্যায়নের পাশাপাশি গত ছয় মাসে বিরোধীদল হিসেবে তারা কতটা সফল হয়েছে, সেটিও জনগণের পর্যালোচনা করা উচিত।
পরে প্রতিমন্ত্রী খোকসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। সেখানে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
এরপর খোকসা জানিপুর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, খোকসা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান, খোকসা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন হোসেনসহ অনেকে।
পরে তিনি উপজেলা এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।