লেবাননে নিহত শুভর মরদেহ দেশে ফিরল ৩ মাস ২৫ দিন পর.
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার কলারোয়ার শুভ দাসের মরদেহ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর মরদেহ কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।শুভ দাস শ্রীপতিপুর গ্রামের ভ্যানচালক সুরঞ্জন দাস ও ধানচাতাল শ্রমিক শিখা দাসের মেজো ছেলে। চার ভাই-বোনের মধ্যে শুভকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি স্বপ্ন ছিল পরিবারের।গত ১২ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ জেলার জেবদিন এলাকায় একটি রুটি বহনকারী গাড়িতে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন শুভ দাস। একই হামলায় নিহত হন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শফিকুল ইসলাম ও আশাশুনি উপজেলার নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম নাহিদের মরদেহ গত ২৭ জুন দেশে আনা হয়। তবে প্রশাসনিক জটিলতায় শুভ দাসের মরদেহ দেশে আনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত ৩ মাস ২৫ দিন পর তাঁর মরদেহ দেশে ফিরল।শুভর স্বজনেরা জানান, পরিবারের অভাব দূর করতে প্রায় তিন বছর আগে তাঁকে লেবাননে পাঠানো হয়। এ জন্য জমি ও গবাদিপশু বিক্রি করার পাশাপাশি ধারদেনাও করে পরিবারটি।বাবার ভ্যান চালানোর টানাপোড়েনের সংসার ও মায়ের ধানচাতালের কঠোর পরিশ্রম থেকে পরিবারকে মুক্ত করাই ছিল শুভর লক্ষ্য। কিন্তু ভাগ্য বদলের সেই স্বপ্ন ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শেষ হয়ে যায়।শুভর মৃত্যুতে শ্রীপতিপুর গ্রামে এখন কান্নার রোল। উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবারটি। এর মধ্যে রয়েছে ধারদেনা পরিশোধের চিন্তাও।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের খুলনা বিভাগীয় অফিসের কাউন্সিলর মইন উদ্দীন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ৮৫ হাজার টাকার একটি চেক গতকাল রাতে দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসে আরও ৩ লাখ টাকা এবং কয়েক মাস পর জীবনবীমার আরও ১০ লাখ টাকা অনুদান পাবেন শুভর পরিবার।কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, শুভর পরিবারকে লাশ বহনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং যুদ্ধে মারা যাওয়ার কারণে ৫০ হাজার টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার কলারোয়ার শুভ দাসের মরদেহ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর মরদেহ কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
শুভ দাস শ্রীপতিপুর গ্রামের ভ্যানচালক সুরঞ্জন দাস ও ধানচাতাল শ্রমিক শিখা দাসের মেজো ছেলে। চার ভাই-বোনের মধ্যে শুভকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি স্বপ্ন ছিল পরিবারের।
গত ১২ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ জেলার জেবদিন এলাকায় একটি রুটি বহনকারী গাড়িতে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন শুভ দাস। একই হামলায় নিহত হন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শফিকুল ইসলাম ও আশাশুনি উপজেলার নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।
শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম নাহিদের মরদেহ গত ২৭ জুন দেশে আনা হয়। তবে প্রশাসনিক জটিলতায় শুভ দাসের মরদেহ দেশে আনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত ৩ মাস ২৫ দিন পর তাঁর মরদেহ দেশে ফিরল।
শুভর স্বজনেরা জানান, পরিবারের অভাব দূর করতে প্রায় তিন বছর আগে তাঁকে লেবাননে পাঠানো হয়। এ জন্য জমি ও গবাদিপশু বিক্রি করার পাশাপাশি ধারদেনাও করে পরিবারটি।
বাবার ভ্যান চালানোর টানাপোড়েনের সংসার ও মায়ের ধানচাতালের কঠোর পরিশ্রম থেকে পরিবারকে মুক্ত করাই ছিল শুভর লক্ষ্য। কিন্তু ভাগ্য বদলের সেই স্বপ্ন ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শেষ হয়ে যায়।
শুভর মৃত্যুতে শ্রীপতিপুর গ্রামে এখন কান্নার রোল। উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবারটি। এর মধ্যে রয়েছে ধারদেনা পরিশোধের চিন্তাও।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের খুলনা বিভাগীয় অফিসের কাউন্সিলর মইন উদ্দীন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ৮৫ হাজার টাকার একটি চেক গতকাল রাতে দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসে আরও ৩ লাখ টাকা এবং কয়েক মাস পর জীবনবীমার আরও ১০ লাখ টাকা অনুদান পাবেন শুভর পরিবার।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, শুভর পরিবারকে লাশ বহনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং যুদ্ধে মারা যাওয়ার কারণে ৫০ হাজার টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে।