খাল খনন শেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলো ২৮ লাখ টাকা, প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত প্রায় ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার ইউএনওর নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেন।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭৫০ মিটার দীর্ঘ কাটাখালী (কুমাইরা) খাল এবং ৩১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে তেজখালী ইউনিয়নের ১.২০ কিলোমিটার দীর্ঘ লটিয়ার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ২৫ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রকল্প দুটির উদ্বোধন করেছিলেন।প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৮ টাকা। ফলে বরাদ্দ থেকে অতিরিক্ত ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা উদ্বৃত্ত থাকে, যা যথারীতি সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দুটি স্থানে মোট ১.৯০ কিলোমিটার খাল গড়ে ৭ থেকে ৮ ফুট গভীর এবং ৩০ থেকে ৪০ ফুট চওড়া করে পুনঃখনন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে খালের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় একটি খালের পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ২২০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইউএনও মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, খাল খনন প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্প। বাঞ্ছারামপুরের একটি খালের কাজ নকশা অনুযায়ী শতভাগ শেষ হয়েছে। তবে অন্য খালটির কাজ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। তাই কাজের সার্বিক হিসাব শেষে অবশিষ্ট অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে প্রকল্প শেষ করে সরকারি টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ইউএনও এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত প্রায় ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার ইউএনওর নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭৫০ মিটার দীর্ঘ কাটাখালী (কুমাইরা) খাল এবং ৩১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে তেজখালী ইউনিয়নের ১.২০ কিলোমিটার দীর্ঘ লটিয়ার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ২৫ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রকল্প দুটির উদ্বোধন করেছিলেন।
প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৮ টাকা। ফলে বরাদ্দ থেকে অতিরিক্ত ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা উদ্বৃত্ত থাকে, যা যথারীতি সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দুটি স্থানে মোট ১.৯০ কিলোমিটার খাল গড়ে ৭ থেকে ৮ ফুট গভীর এবং ৩০ থেকে ৪০ ফুট চওড়া করে পুনঃখনন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে খালের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় একটি খালের পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ২২০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, খাল খনন প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্প। বাঞ্ছারামপুরের একটি খালের কাজ নকশা অনুযায়ী শতভাগ শেষ হয়েছে। তবে অন্য খালটির কাজ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। তাই কাজের সার্বিক হিসাব শেষে অবশিষ্ট অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে প্রকল্প শেষ করে সরকারি টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ইউএনও এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।