কাশফুলের শুভ্রতায় বদলে গেছে কলাপাড়ার প্রকৃতি.
শরতের নীল আকাশ। সাদা মেঘের ভেলা। মৃদু বাতাসে দুলছে সারি সারি শুভ্র কাশফুল। প্রকৃতির এমন অপরূপ সাজে মুগ্ধ পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মানুষ।উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের সিক্স লেন সড়ক ও পায়রা বন্দরসংলগ্ন এলাকায় এখন কাশফুলের রাজ্য। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ফুটে থাকা সাদা কাশ দূর থেকে তৈরি করেছে শুভ্রতার চাদর। এই সৌন্দর্য দেখতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা।টিয়াখালী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত জমি ও পায়রা বন্দরসংলগ্ন বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে ফুটেছে কাশফুল। হালকা বাতাসে কাশফুলের দোলা তৈরি করছে দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য। শরতের এই সৌন্দর্য দেখতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ এখানে ছুটে আসছেন।সরেজমিনে দেখা যায়, সকালের কোমল রোদে কাশফুলগুলো ঝলমল করছে। হালকা বাতাসে সারি সারি কাশফুল একসঙ্গে দুলছে। প্রকৃতির এই শুভ্র আয়োজন উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন। কেউ এসেছেন বন্ধুদের সঙ্গে। আবার কেউ প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।কাশবনের শুভ্রতার সঙ্গে নির্মল বাতাস উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। অনেকে মুঠোফোনে ধারণ করছেন কাশফুলের ছবি ও ভিডিও। কাশফুলের মাঝে ছবি তুলতে ব্যস্ত দেখা যায় তরুণ-তরুণী, শিশু ও পরিবারের সদস্যদের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্যও অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।সকালের পাশাপাশি বিকেলেও বদলে যায় কাশবনের দৃশ্য। বিকেলের নরম রোদে সাদা কাশফুলে পড়ে সোনালি আভা। সূর্যাস্তের সময় দিগন্তজোড়া কাশবন হয়ে ওঠে আরও মোহনীয়। এ সময় দর্শনার্থীদের ভিড়ও বাড়তে থাকে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর শরৎ মৌসুমে এই এলাকায় কাশফুল ফুটলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বেড়াতে আসেন। বিশেষ করে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বেশি থাকে। শিশুদের নিয়ে পরিবারগুলো যেমন আনন্দ করে, তেমনি তরুণ-তরুণীরাও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে আসেন।দর্শনার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহলের মধ্যে এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রশান্তি দেয়। কাশফুলের শুভ্রতা ও খোলা বাতাসে কিছু সময় কাটালে মন ভালো হয়ে যায়।শরতের কাশফুল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতীক নয়। এর সঙ্গে মিশে আছে বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য, শৈশবের স্মৃতি ও মাটির প্রতি মানুষের টান। তাই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মুখর কাশবন যেন জানান দিচ্ছে, শরৎ এসেছে। বাংলার প্রকৃতি সেজেছে তার চিরচেনা শুভ্র সাজে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের সিক্স লেন সড়ক ও পায়রা বন্দরসংলগ্ন এলাকায় এখন কাশফুলের রাজ্য। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ফুটে থাকা সাদা কাশ দূর থেকে তৈরি করেছে শুভ্রতার চাদর। এই সৌন্দর্য দেখতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা।
টিয়াখালী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত জমি ও পায়রা বন্দরসংলগ্ন বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে ফুটেছে কাশফুল। হালকা বাতাসে কাশফুলের দোলা তৈরি করছে দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য। শরতের এই সৌন্দর্য দেখতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ এখানে ছুটে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকালের কোমল রোদে কাশফুলগুলো ঝলমল করছে। হালকা বাতাসে সারি সারি কাশফুল একসঙ্গে দুলছে। প্রকৃতির এই শুভ্র আয়োজন উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন। কেউ এসেছেন বন্ধুদের সঙ্গে। আবার কেউ প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।
কাশবনের শুভ্রতার সঙ্গে নির্মল বাতাস উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। অনেকে মুঠোফোনে ধারণ করছেন কাশফুলের ছবি ও ভিডিও। কাশফুলের মাঝে ছবি তুলতে ব্যস্ত দেখা যায় তরুণ-তরুণী, শিশু ও পরিবারের সদস্যদের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্যও অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।
সকালের পাশাপাশি বিকেলেও বদলে যায় কাশবনের দৃশ্য। বিকেলের নরম রোদে সাদা কাশফুলে পড়ে সোনালি আভা। সূর্যাস্তের সময় দিগন্তজোড়া কাশবন হয়ে ওঠে আরও মোহনীয়। এ সময় দর্শনার্থীদের ভিড়ও বাড়তে থাকে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর শরৎ মৌসুমে এই এলাকায় কাশফুল ফুটলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বেড়াতে আসেন। বিশেষ করে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বেশি থাকে। শিশুদের নিয়ে পরিবারগুলো যেমন আনন্দ করে, তেমনি তরুণ-তরুণীরাও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে আসেন।
দর্শনার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহলের মধ্যে এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রশান্তি দেয়। কাশফুলের শুভ্রতা ও খোলা বাতাসে কিছু সময় কাটালে মন ভালো হয়ে যায়।
শরতের কাশফুল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতীক নয়। এর সঙ্গে মিশে আছে বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য, শৈশবের স্মৃতি ও মাটির প্রতি মানুষের টান। তাই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মুখর কাশবন যেন জানান দিচ্ছে, শরৎ এসেছে। বাংলার প্রকৃতি সেজেছে তার চিরচেনা শুভ্র সাজে।