গৌরনদীতে নারীকে শ্লীলতাহানি করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
গৌরনদীতে নারীকে শ্লীলতাহানি করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ.
বরিশালের গৌরনদীতে এক নারীকে শ্লীলতাহানি করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। মো. শাহিন মৃধা নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়েছে। তবে শাহিন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।ঘটনাটি উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিল্বগ্রাম এলাকায়। ভিডিওটি কত দিনের এবং কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রায় এক মাস আগে বিল্বগ্রাম এলাকার একটি বসতঘরে ওই নারীকে এক যুবকের সঙ্গে আটক করেন শাহিন ও তাঁর সহযোগীরা। এরপর ওই নারীকে হেনস্তা করার পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী ওড়না দিয়ে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন। এ সময় এক ব্যক্তি এক হাতে মুঠোফোন ধরে ভিডিও করছেন এবং অন্য হাতে তাঁর ওড়না সরিয়ে দিচ্ছেন। ভিডিওতে ওই নারীকে হেনস্তার দৃশ্যও দেখা যায়।তবে শাহিন মৃধা বলেন, ঘটনাটি প্রায় দেড় থেকে দুই মাস আগের। বিল্বগ্রামে মনির হাওলাদারের বসতঘরে ওই ঘটনা ঘটে।শাহিনের ভাষ্য, মনির হাওলাদারের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে ওই বাড়িতে এক নারীকে নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে—এমন খবর পেয়ে তিনি রাত সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে যান।শাহিন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। তবে ভিডিও ধারণ করেননি। একই গ্রামের কয়েকজন মিলে ভিডিওটি ধারণ করেন। তাঁদের মধ্যে কেউ ভিডিওটি ছড়িয়ে দিতে পারেন। তিনি শুধু মুঠোফোনের আলো জ্বালিয়ে রেখেছিলেন।শাহিনের দাবি, তিনি তাঁদের পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করায় রাতেই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এখন ওই ভিডিও ব্যবহার করে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।তবে শাহিনের বক্তব্যে উল্লেখ করা অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, শাহিন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং তিনি দলের কর্মী। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মনির হোসেন আকন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টির খোঁজ নেবেন।গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বরিশালের গৌরনদীতে এক নারীকে শ্লীলতাহানি করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। মো. শাহিন মৃধা নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়েছে। তবে শাহিন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ঘটনাটি উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিল্বগ্রাম এলাকায়। ভিডিওটি কত দিনের এবং কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রায় এক মাস আগে বিল্বগ্রাম এলাকার একটি বসতঘরে ওই নারীকে এক যুবকের সঙ্গে আটক করেন শাহিন ও তাঁর সহযোগীরা। এরপর ওই নারীকে হেনস্তা করার পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী ওড়না দিয়ে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন। এ সময় এক ব্যক্তি এক হাতে মুঠোফোন ধরে ভিডিও করছেন এবং অন্য হাতে তাঁর ওড়না সরিয়ে দিচ্ছেন। ভিডিওতে ওই নারীকে হেনস্তার দৃশ্যও দেখা যায়।
তবে শাহিন মৃধা বলেন, ঘটনাটি প্রায় দেড় থেকে দুই মাস আগের। বিল্বগ্রামে মনির হাওলাদারের বসতঘরে ওই ঘটনা ঘটে।
শাহিনের ভাষ্য, মনির হাওলাদারের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে ওই বাড়িতে এক নারীকে নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে—এমন খবর পেয়ে তিনি রাত সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে যান।
শাহিন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। তবে ভিডিও ধারণ করেননি। একই গ্রামের কয়েকজন মিলে ভিডিওটি ধারণ করেন। তাঁদের মধ্যে কেউ ভিডিওটি ছড়িয়ে দিতে পারেন। তিনি শুধু মুঠোফোনের আলো জ্বালিয়ে রেখেছিলেন।
শাহিনের দাবি, তিনি তাঁদের পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করায় রাতেই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এখন ওই ভিডিও ব্যবহার করে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে শাহিনের বক্তব্যে উল্লেখ করা অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, শাহিন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং তিনি দলের কর্মী। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মনির হোসেন আকন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টির খোঁজ নেবেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।