দরপত্রের কাজ আটকে তিন লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ঘাটাইলের ইউএনওর বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দরপত্রের কাজ আটকে তিন লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ঘাটাইলের ইউএনওর বিরুদ্ধে.
লক্ষিন্দর ইউনিয়নের প্রশিকা বনায়ন প্রকল্পের গাছ কাটার একটি দরপত্র ঘিরে ঘাটাইলের ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি চলমান কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অর্থের বিনিময়ে আবার কাজের অনুমতি দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাবেক ইউএনও মো. আবু সাঈদের সময় প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র আহ্বান করা দরপত্রে পাঁচটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ২৯ লাখ ২৬ হাজার ৪০২ টাকার কার্যাদেশ পায়। কাজের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শেষ হওয়ার পর নতুন ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসান দায়িত্ব নেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। গাছের মাপজোক ও মূল্য নির্ধারণে অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। কেটে রাখা গাছ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখতে বলা হয়।
ঠিকাদারদের অভিযোগ, পরে তাঁরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে যান। দরপত্রের বৈধতার বিষয়টি তুলে ধরেন। ইউএনও যাচাইয়ের আশ্বাস দিলেও দীর্ঘদিন কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
ঠিকাদারদের দাবি, একপর্যায়ে কাজ পুনরায় চালুর অনুমতি দিতে প্রথমে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে তিন লাখ টাকায় সমঝোতা হলে কাজের অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, ঘাটাইলের ব্যবস্থাপক সেফায়েত উল্লাহ বলেন, তাঁরা বিধি অনুযায়ী দরপত্র আহ্বান করেছিলেন। সর্বোচ্চ দরদাতাদের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে নতুন ইউএনও মেজারমেন্ট ও মূল্য নির্ধারণে আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। কাজ বন্ধ করার পর একই প্রকল্পে কী কারণে আবার কাজের অনুমতি দেওয়া হলো এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ দাবির অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
লক্ষিন্দর ইউনিয়নের প্রশিকা বনায়ন প্রকল্পের গাছ কাটার একটি দরপত্র ঘিরে ঘাটাইলের ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি চলমান কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অর্থের বিনিময়ে আবার কাজের অনুমতি দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাবেক ইউএনও মো. আবু সাঈদের সময় প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র আহ্বান করা দরপত্রে পাঁচটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ২৯ লাখ ২৬ হাজার ৪০২ টাকার কার্যাদেশ পায়। কাজের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শেষ হওয়ার পর নতুন ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসান দায়িত্ব নেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। গাছের মাপজোক ও মূল্য নির্ধারণে অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। কেটে রাখা গাছ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখতে বলা হয়।
ঠিকাদারদের অভিযোগ, পরে তাঁরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে যান। দরপত্রের বৈধতার বিষয়টি তুলে ধরেন। ইউএনও যাচাইয়ের আশ্বাস দিলেও দীর্ঘদিন কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
ঠিকাদারদের দাবি, একপর্যায়ে কাজ পুনরায় চালুর অনুমতি দিতে প্রথমে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে তিন লাখ টাকায় সমঝোতা হলে কাজের অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, ঘাটাইলের ব্যবস্থাপক সেফায়েত উল্লাহ বলেন, তাঁরা বিধি অনুযায়ী দরপত্র আহ্বান করেছিলেন। সর্বোচ্চ দরদাতাদের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে নতুন ইউএনও মেজারমেন্ট ও মূল্য নির্ধারণে আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। কাজ বন্ধ করার পর একই প্রকল্পে কী কারণে আবার কাজের অনুমতি দেওয়া হলো এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ দাবির অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।