ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চকবস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রাসেল মিয়া ওরফে মাহিন (২০)। তাঁর বাড়ি কসবার বিশারা বাড়ি এলাকায়। তাঁর বাবার নাম মো. আব্দুর রউফ মিয়া।র্যাব-৯-এর ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি দল চকবস্তা এলাকায় যায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় একজনকে আটক করা হয়। অন্যজন কৌশলে পালিয়ে যান।পরে আটক রাসেল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি তাঁর কাছে গাঁজা থাকার কথা জানান। তাঁর দেখানো জায়গায় মাটির গর্ত থেকে আটটি পাটের বস্তা উদ্ধার করা হয়। এসব বস্তায় মোট ২৬৪ কেজি গাঁজা ছিল।র্যাব জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল মিয়া জানিয়েছেন, তিনি ও পলাতক ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করেছিলেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য তাঁরা গাঁজা নিজেদের কাছে রেখেছিলেন।র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।র্যাব জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও পলাতক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার রাসেল মিয়া ও জব্দ করা গাঁজা কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব-৯ আরও জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চকবস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রাসেল মিয়া ওরফে মাহিন (২০)। তাঁর বাড়ি কসবার বিশারা বাড়ি এলাকায়। তাঁর বাবার নাম মো. আব্দুর রউফ মিয়া।
র্যাব-৯-এর ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি দল চকবস্তা এলাকায় যায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় একজনকে আটক করা হয়। অন্যজন কৌশলে পালিয়ে যান।
পরে আটক রাসেল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি তাঁর কাছে গাঁজা থাকার কথা জানান। তাঁর দেখানো জায়গায় মাটির গর্ত থেকে আটটি পাটের বস্তা উদ্ধার করা হয়। এসব বস্তায় মোট ২৬৪ কেজি গাঁজা ছিল।
র্যাব জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল মিয়া জানিয়েছেন, তিনি ও পলাতক ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করেছিলেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য তাঁরা গাঁজা নিজেদের কাছে রেখেছিলেন।
র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
র্যাব জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও পলাতক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার রাসেল মিয়া ও জব্দ করা গাঁজা কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ আরও জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।