আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণের আগুনে নিহত ৭.
সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি পোশাক কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের শরীরের বড় অংশ দগ্ধ হয়েছে।গতকাল রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের একটি কারখানা চত্বরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নজরুল নামের আরও একজন পরে মারা যান। এর আগে জয়নব বেগম নামের এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক হারুন অর রশীদ জানান, বিস্ফোরণে আহত ২৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই কারখানার আশপাশের সবজি বিক্রেতা ও পথচারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের কয়েকজনের শরীরের বড় অংশ দগ্ধ হয়েছে।শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম জানান, কারখানার গেটের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কারখানার ভেতরে একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডিউটি অফিসার শাহজাহান মিয়া জানান, সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে জিরাবো ফায়ার স্টেশনের দুটি এবং ডিইপিজেড ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।রাত ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রাত ১১টা ৪২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হয়।ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয় লোকজন আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি কাভার্ড ভ্যানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এরপর ওই গাড়িতে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন আশপাশে থাকা আরও ছয় থেকে সাতটি গাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি পোশাক কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের শরীরের বড় অংশ দগ্ধ হয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের একটি কারখানা চত্বরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নজরুল নামের আরও একজন পরে মারা যান। এর আগে জয়নব বেগম নামের এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক হারুন অর রশীদ জানান, বিস্ফোরণে আহত ২৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই কারখানার আশপাশের সবজি বিক্রেতা ও পথচারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের কয়েকজনের শরীরের বড় অংশ দগ্ধ হয়েছে।
শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম জানান, কারখানার গেটের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কারখানার ভেতরে একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডিউটি অফিসার শাহজাহান মিয়া জানান, সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে জিরাবো ফায়ার স্টেশনের দুটি এবং ডিইপিজেড ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।
রাত ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রাত ১১টা ৪২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হয়।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয় লোকজন আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি কাভার্ড ভ্যানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এরপর ওই গাড়িতে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন আশপাশে থাকা আরও ছয় থেকে সাতটি গাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।