স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশ নিতে পারবেন না—ইসির এমন সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে জামায়াত। আজ বুধবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে এ দাবি জানানো হয় দলের পক্ষ থেকে।
সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, 'সংবিধানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতি করা তো নিষিদ্ধ নেই। জাতীয় নির্বাচনেও তাদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
তাহলে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের অংশ নিতে না দেওয়াটা দ্বিচারিতা।'
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, 'দেশের নাগরিক হিসেবে তাদের রাজনীতি করার এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার আছে।'
আমরা ইসিকে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহলের দাবি জানিয়েছি, বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, ইসি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে।
ইসি সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিব পদে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত মো. সামসুল আলমের নিয়োগ বাতিল চেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের মতো জায়গায় সামসুল আলমের নিয়োগ পরবর্তী নির্বাচনগুলোকে প্রভাবিত করবে।
ভিডিওকাণ্ডে দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগের বিষয়ে ইসির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—জানতে চান সাংবাদিকরা। জামায়াত সেক্রেটারি জানান, এবিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
তিনি বলেন, 'পদত্যাগের বিষয় সেই ব্যক্তির, নির্বাচন কমিশন এবং স্পিকারের।
আমরা দলের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নিয়েছি, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।'