জামায়াত আর আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: উমামা
alamin dhakaprobe
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
জামায়াত আর আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: উমামা.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেছেন, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি অভিযোগ করেছেন, জুলাই আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্ততাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ‘হিরো’ হিসেবে তুলে ধরে তরুণদের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করার চেষ্টা চলছে।বৃহস্পতিবার রাত ২টা ২৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন উমামা ফাতেমা।পোস্টে উমামা ফাতেমা লেখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা মানুষও এসে নেতা হয়েছেন। সালাউদ্দীন আম্মার তাঁদের অন্যতম বলে উল্লেখ করেন তিনি।উমামার অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের সময় সব ছাত্র সংগঠনকে বাদ দিয়ে শিবির ও ছাত্রশক্তির কোরামের (গুপ্তশিবির) লোকজনকে সমন্বয়ক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর ফলে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন ব্যক্তি এসে সর্বেসর্বা হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।জুলাই আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্ততাকে ‘ভাই-ব্রাদার কোরাম’ ও শিবিরের হাতে বন্দি করার অভিযোগও করেন উমামা। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।তিনি আরও লেখেন, বিএনপি খারাপ—এটি সহজেই দেখা যায়। কিন্তু দেশকে নিয়ে আন্দোলনের পর যারা ছেলেখেলা করছে, তারা সবকিছু দখল করতে চেয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন কনটেন্টকেও তিনি নিরীহভাবে দেখেন না।উমামা ফাতেমার ভাষ্য, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ফেসবুকের ম্যানিপুলেশনই যথেষ্ট। পর্দার আড়ালের স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের নামে ‘ম্যানুফ্যাকচারড কনসেন্ট’ তৈরি করে।তরুণদের মধ্যে ‘হিরো’ হিসেবে তৈরি করা এমন অনেক ব্যক্তি আছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এসব ব্যক্তিকে সামনে এনে তরুণদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করার চেষ্টা চলছে।মিয়ানমারের উদাহরণ টেনে উমামা লেখেন, দেশটির দিকে তাকালে তিনি ভয় পান। রোহিঙ্গা গণহত্যার ক্ষেত্রে ফেসবুক অত্যন্ত কার্যকর একটি হাতিয়ার ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উমামার মতে, এসব সম্ভব হয়েছে মধ্যবিত্তের ‘হেট পলিটিকস’ এবং জুলাই আন্দোলনের সময় হঠাৎ রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে ওঠার কারণে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে কখনো একজনকে, আবার কখনো অন্যজনকে ‘হিরো’ বানানোর বিষয়টিও এর জন্য দায়ী বলে মনে করেন তিনি।বাংলাদেশের ইতিহাস প্রসঙ্গে উমামা ফাতেমা লেখেন, এত দিন দেশের যাত্রা ৫০ বছরের হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এখন জামায়াতের কারণে ইতিহাস ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করতে হচ্ছে।দেশের রাজনীতি ‘একদল মোনাফেকের হাতে পড়ছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘জামায়াত আর আওয়ামী লীগে কোনো পার্থক্য নেই।’জামায়াত তাদের ‘গণহত্যার কালিমা’ ঢাকতে দেশকে যেকোনো পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজি বলেও অভিযোগ করেন উমামা ফাতেমা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেছেন, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি অভিযোগ করেছেন, জুলাই আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্ততাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ‘হিরো’ হিসেবে তুলে ধরে তরুণদের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করার চেষ্টা চলছে।
বৃহস্পতিবার রাত ২টা ২৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন উমামা ফাতেমা।
পোস্টে উমামা ফাতেমা লেখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা মানুষও এসে নেতা হয়েছেন। সালাউদ্দীন আম্মার তাঁদের অন্যতম বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উমামার অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনের সময় সব ছাত্র সংগঠনকে বাদ দিয়ে শিবির ও ছাত্রশক্তির কোরামের (গুপ্তশিবির) লোকজনকে সমন্বয়ক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর ফলে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন ব্যক্তি এসে সর্বেসর্বা হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্ততাকে ‘ভাই-ব্রাদার কোরাম’ ও শিবিরের হাতে বন্দি করার অভিযোগও করেন উমামা। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও লেখেন, বিএনপি খারাপ—এটি সহজেই দেখা যায়। কিন্তু দেশকে নিয়ে আন্দোলনের পর যারা ছেলেখেলা করছে, তারা সবকিছু দখল করতে চেয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন কনটেন্টকেও তিনি নিরীহভাবে দেখেন না।
উমামা ফাতেমার ভাষ্য, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ফেসবুকের ম্যানিপুলেশনই যথেষ্ট। পর্দার আড়ালের স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের নামে ‘ম্যানুফ্যাকচারড কনসেন্ট’ তৈরি করে।
তরুণদের মধ্যে ‘হিরো’ হিসেবে তৈরি করা এমন অনেক ব্যক্তি আছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এসব ব্যক্তিকে সামনে এনে তরুণদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করার চেষ্টা চলছে।
মিয়ানমারের উদাহরণ টেনে উমামা লেখেন, দেশটির দিকে তাকালে তিনি ভয় পান। রোহিঙ্গা গণহত্যার ক্ষেত্রে ফেসবুক অত্যন্ত কার্যকর একটি হাতিয়ার ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উমামার মতে, এসব সম্ভব হয়েছে মধ্যবিত্তের ‘হেট পলিটিকস’ এবং জুলাই আন্দোলনের সময় হঠাৎ রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে ওঠার কারণে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে কখনো একজনকে, আবার কখনো অন্যজনকে ‘হিরো’ বানানোর বিষয়টিও এর জন্য দায়ী বলে মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশের ইতিহাস প্রসঙ্গে উমামা ফাতেমা লেখেন, এত দিন দেশের যাত্রা ৫০ বছরের হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এখন জামায়াতের কারণে ইতিহাস ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করতে হচ্ছে।
দেশের রাজনীতি ‘একদল মোনাফেকের হাতে পড়ছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘জামায়াত আর আওয়ামী লীগে কোনো পার্থক্য নেই।’
জামায়াত তাদের ‘গণহত্যার কালিমা’ ঢাকতে দেশকে যেকোনো পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজি বলেও অভিযোগ করেন উমামা ফাতেমা।