রবিবারবাংলা: ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

সৌরবিদ্যুতের ইউনিট সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা নির্ধারণ

সৌরবিদ্যুতের ইউনিট সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা নির্ধারণ
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন
বেসরকারি বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংযোগের ভোল্টেজ অনুযায়ী প্রতি ইউনিট সৌরবিদ্যুতের দাম হবে ৬ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে ৭ টাকা ১১ পয়সা। আগামী অক্টোবর থেকে এই হার কার্যকর হবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিদ্যুৎ কেনার দাম ও সরকারি সঞ্চালন এবং বিতরণ ব্যবস্থা ব্যবহারের মাশুল জানিয়েছে বিইআরসি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে একক ক্রেতা হিসেবে বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ৩৩ কেভি সংযোগে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ টাকা ৯৮ পয়সা। ১৩২ কেভি সংযোগে দাম হবে ৭ টাকা ১১ পয়সা।

বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরাসরি বড় গ্রাহকের কাছেও বিদ্যুৎ বিক্রি করা যাবে। এ ক্ষেত্রে উৎপাদক ও ক্রেতা নিজেদের মধ্যে দাম নির্ধারণ করবেন। তবে সরকারি সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করলে নির্ধারিত ‘ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফ’ দিতে হবে।

সংযোগের ধরন অনুযায়ী এই মাশুল প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২২ পয়সা থেকে প্রায় ১ টাকা ৯১ পয়সা হবে। এর মধ্যে সঞ্চালন, বিতরণ, বিদ্যুতের হিসাব ও বিল নিষ্পত্তির খরচ রয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্র সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত থাকলে এবং গ্রাহক সরকারি বিতরণ সংস্থার মাধ্যমে যুক্ত থাকলে মোট মাশুল হবে ৩৩ কেভিতে প্রায় ১ টাকা ৬১ পয়সা। ১৩২ কেভিতে এটি ১ টাকা ৬০ পয়সার কিছু বেশি এবং ২৩০ কেভিতে প্রায় ১ টাকা ৬০ পয়সা।

এর মধ্যে সঞ্চালন মাশুল ভোল্টেজভেদে প্রতি ইউনিটে প্রায় ৩৮ পয়সা। গ্রাহকের প্রান্তে বিতরণ মাশুল ১ টাকা ১৭ পয়সা। হিসাব ও বিল নিষ্পত্তির জন্য আরও ৫ পয়সা দিতে হবে।

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গ্রাহক সঞ্চালন ব্যবস্থার দুই প্রান্তে আলাদা বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকলে অতিরিক্ত ৩০ পয়সা বিতরণ মাশুল দিতে হবে। তখন মোট মাশুল ৩৩ কেভিতে প্রায় ১ টাকা ৯১ পয়সা, ১৩২ কেভিতে প্রায় ১ টাকা ৯০ পয়সা এবং ২৩০ কেভিতে প্রায় ১ টাকা ৯০ পয়সা হবে।

তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গ্রাহক একই বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকলে অতিরিক্ত ৩০ পয়সা মাশুল দিতে হবে না। সরবরাহ প্রান্তে বিতরণ লসও আরোপ করা হবে না। দুই পক্ষ একই বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থেকে সঞ্চালন ব্যবস্থা ব্যবহার না করলে মোট মাশুল হবে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২২ পয়সা।

বিতরণ সংস্থাভেদেও মাশুল নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। পিডিবির জন্য প্রতি ইউনিটে ৭০ পয়সা, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের জন্য ১ টাকা ৪৩ পয়সা এবং ডিপিডিসির জন্য ৮৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ডেসকোর জন্য মাশুল হবে ৯৯ পয়সা।

এ ছাড়া ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জন্য ৮৭ পয়সা এবং নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির জন্য ১ টাকা ৪ পয়সা মাশুল নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে সঞ্চালন ও বিতরণ লসও হিসাব করা হবে। সঞ্চালন লসের ক্ষেত্রে পাওয়ার গ্রিডের মাসিক প্রকৃত গড় হার বিবেচনা করা হবে। বিতরণ লসের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে সর্বশেষ অর্থবছরের অর্জিত হার।

বাণিজ্যিক কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত ও সরবরাহ করা বিদ্যুতের হিসাব এবং বিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করবে পিডিবি। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে বিল দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলোকে তাদের প্রাপ্য মাশুলও পরিশোধ করবে পিডিবি।

২০২৫ সালে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে মার্চেন্ট পাওয়ার নীতিমালা করা হয়। এই নীতিমালার আওতায় এক এলাকায় স্থাপিত বিদ্যুৎকেন্দ্র সরকারি সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ব্যবহার করে অন্য এলাকার বড় গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে।

বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাসিক উৎপাদনের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ সরকারি বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা যাবে। বাকি বিদ্যুৎ সরাসরি বড় গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা যাবে।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট মার্চেন্ট পাওয়ারের বিদ্যুতের দাম ও গ্রিড ব্যবহারের মাশুল নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি। কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সরকারি বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা সৌরবিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করেছিল।

গণশুনানিতে পিডিবি ও কয়েকটি বিতরণ কোম্পানি বড় শিল্পগ্রাহক হারিয়ে রাজস্ব কমার আশঙ্কা প্রকাশ করে। অন্যদিকে উদ্যোক্তারা বলেন, সঞ্চালন, বিতরণ ও অন্যান্য মাশুল বেশি হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক

টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
পিরোজপুরে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

‎ পিরোজপুর প্রতিনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।