সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক বেলা ১২টায়
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক বেলা ১২টায়.
সংবিধান সংশোধনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে গঠিত ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে বেলা ১২টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম বৈঠকে সদস্যদের পরিচিতি, কমিটির কর্মপরিধি, কর্মকৌশল এবং সংবিধান সংশোধনের রূপরেখা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হবে। পরবর্তী বৈঠকগুলোতে সংশোধনী সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন এবং এ বিষয়ে একটি রোডম্যাপ তৈরির কাজ শুরু হবে।গত ১৩ জুলাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির দায়িত্ব হলো সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়ে সুপারিশ তৈরি করে সংসদে প্রতিবেদন উপস্থাপন করা। তবে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।সরকার বিরোধী জোটকে কমিটিতে পাঁচজন সদস্য মনোনয়নের আহ্বান জানালেও তারা কোনো প্রতিনিধি দেয়নি। কমিটি গঠনের দিনই বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে জানায়, তারা সংবিধান সংশোধনের পরিবর্তে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে।সংশ্লিষ্টদের মতে, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচনব্যবস্থা, রাষ্ট্রক্ষমতার ভারসাম্য, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কারের দাবি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ কমিটি এসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা করবে। তবে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ না থাকায় আলোচনা কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তারা জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়নের পক্ষে। তাই বর্তমান বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন।অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমান সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে। এ জন্য বিশেষ কমিটি বিচার বিভাগ, আইন বিশেষজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী, সম্পাদক, বিভিন্ন অংশীজন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করে সুপারিশ তৈরি করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে সংবিধানের ১৮তম সংশোধনী বিল সংসদে উত্থাপন করা হবে।উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের পর এ পর্যন্ত ১৭ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি জোরালো হলে সংবিধানসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ গৃহীত হয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সংবিধান সংশোধনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে গঠিত ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে বেলা ১২টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম বৈঠকে সদস্যদের পরিচিতি, কমিটির কর্মপরিধি, কর্মকৌশল এবং সংবিধান সংশোধনের রূপরেখা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হবে। পরবর্তী বৈঠকগুলোতে সংশোধনী সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন এবং এ বিষয়ে একটি রোডম্যাপ তৈরির কাজ শুরু হবে।
গত ১৩ জুলাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির দায়িত্ব হলো সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়ে সুপারিশ তৈরি করে সংসদে প্রতিবেদন উপস্থাপন করা। তবে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
সরকার বিরোধী জোটকে কমিটিতে পাঁচজন সদস্য মনোনয়নের আহ্বান জানালেও তারা কোনো প্রতিনিধি দেয়নি। কমিটি গঠনের দিনই বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে জানায়, তারা সংবিধান সংশোধনের পরিবর্তে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচনব্যবস্থা, রাষ্ট্রক্ষমতার ভারসাম্য, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কারের দাবি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ কমিটি এসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা করবে। তবে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ না থাকায় আলোচনা কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তারা জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়নের পক্ষে। তাই বর্তমান বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমান সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে। এ জন্য বিশেষ কমিটি বিচার বিভাগ, আইন বিশেষজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী, সম্পাদক, বিভিন্ন অংশীজন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করে সুপারিশ তৈরি করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে সংবিধানের ১৮তম সংশোধনী বিল সংসদে উত্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের পর এ পর্যন্ত ১৭ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি জোরালো হলে সংবিধানসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ গৃহীত হয়।