শেখ হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ, ভারতের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
শেখ হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ, ভারতের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন.
বাংলাদেশ সরকারের উদ্বেগ উপেক্ষা করে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ভারত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত একজন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ কেন দেওয়া হলো, সেটিই বাংলাদেশের প্রশ্ন।২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। নয়াদিল্লিতে দক্ষিণ এশিয়া ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অডিও কলে যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।এর আগে সংবাদ সম্মেলনের খবর প্রকাশ্যে এলে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে তাদের উদ্বেগের কথা জানায়। শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকেও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ কেন দিল, সেটিই আমাদের প্রশ্ন।’তিনি বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু সেই আশ্রয়ে থেকে তিনি বাংলাদেশকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এর মধ্যেই তাঁকে সরাসরি গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।সালাহউদ্দিন আহমদের প্রশ্ন, বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার কেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দিল।আওয়ামী লীগের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে দলটি গণহত্যা চালিয়েছে। কিন্তু তারা এখনো দুঃখ প্রকাশ করেনি বা ক্ষমা চায়নি। তাদের কোনো অনুশোচনাও নেই।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ কারণে জনগণ তাদের প্রতি ক্ষুব্ধ।আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে বিচার হবে। সংশ্লিষ্ট আইনে সে বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রশ্নে তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে চায় না। বিষয়টি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আওয়ামী লীগ আদালতের দ্বারস্থ হয়নি। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সরকার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী দল ও ভিন্নমতের মানুষের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। গুম ও হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তাই জনগণের তাদের প্রতি কোনো আস্থা নেই। শেষ পর্যন্ত জনগণও তাদের বিচার করবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বাংলাদেশ সরকারের উদ্বেগ উপেক্ষা করে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ভারত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত একজন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ কেন দেওয়া হলো, সেটিই বাংলাদেশের প্রশ্ন।
২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। নয়াদিল্লিতে দক্ষিণ এশিয়া ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অডিও কলে যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনের খবর প্রকাশ্যে এলে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে তাদের উদ্বেগের কথা জানায়। শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকেও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ কেন দিল, সেটিই আমাদের প্রশ্ন।’
তিনি বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু সেই আশ্রয়ে থেকে তিনি বাংলাদেশকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এর মধ্যেই তাঁকে সরাসরি গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদের প্রশ্ন, বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার কেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দিল।
আওয়ামী লীগের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে দলটি গণহত্যা চালিয়েছে। কিন্তু তারা এখনো দুঃখ প্রকাশ করেনি বা ক্ষমা চায়নি। তাদের কোনো অনুশোচনাও নেই।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ কারণে জনগণ তাদের প্রতি ক্ষুব্ধ।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে বিচার হবে। সংশ্লিষ্ট আইনে সে বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।
দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রশ্নে তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে চায় না। বিষয়টি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আওয়ামী লীগ আদালতের দ্বারস্থ হয়নি। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সরকার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী দল ও ভিন্নমতের মানুষের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। গুম ও হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তাই জনগণের তাদের প্রতি কোনো আস্থা নেই। শেষ পর্যন্ত জনগণও তাদের বিচার করবে।