প্রবীণদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নিজস্ব প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
প্রবীণদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির.
চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে প্রবীণদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্য নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। দীর্ঘায়ুর এই সময়ে প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানো প্রয়োজন।
এবারের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘দ্য এইজ অব লংজিবিটি: রিথিংকিং সিস্টেমস ফর লংগার লাইভস’। প্রতিপাদ্যটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বার্ধক্যে উপনীত হওয়া মানুষের স্বাভাবিক জীবনচক্রের অংশ। তাই প্রত্যেক মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদে ক্রমবর্ধমান প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা খাতে ৫ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।
প্রবীণদের কল্যাণ ও উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ প্রবীণদের কল্যাণ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রবীণদের অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবীণরা শুধু অতীতের গল্প নন; তাঁরা বর্তমানের শিকড় এবং ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। তাঁদের শ্রম, মেধা, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, প্রবীণদের একটি বড় অংশ অবনতিশীল স্বাস্থ্য, আর্থিক অনিশ্চয়তা ও নিঃসঙ্গতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে প্রবীণদের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি।
প্রবীণদের কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও জনহিতৈষী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রতিটি পরিবারকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা, তাঁদের হাসিমুখ ও নিরাপদ বার্ধক্য নিশ্চিত করাকে সবার অঙ্গীকার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।
বাণীর শেষে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সব প্রবীণের সুস্বাস্থ্য ও শান্তিময় জীবন কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে প্রবীণদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্য নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। দীর্ঘায়ুর এই সময়ে প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানো প্রয়োজন।
এবারের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘দ্য এইজ অব লংজিবিটি: রিথিংকিং সিস্টেমস ফর লংগার লাইভস’। প্রতিপাদ্যটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বার্ধক্যে উপনীত হওয়া মানুষের স্বাভাবিক জীবনচক্রের অংশ। তাই প্রত্যেক মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদে ক্রমবর্ধমান প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা খাতে ৫ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।
প্রবীণদের কল্যাণ ও উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ প্রবীণদের কল্যাণ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রবীণদের অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবীণরা শুধু অতীতের গল্প নন; তাঁরা বর্তমানের শিকড় এবং ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। তাঁদের শ্রম, মেধা, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, প্রবীণদের একটি বড় অংশ অবনতিশীল স্বাস্থ্য, আর্থিক অনিশ্চয়তা ও নিঃসঙ্গতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে প্রবীণদের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি।
প্রবীণদের কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও জনহিতৈষী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রতিটি পরিবারকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা, তাঁদের হাসিমুখ ও নিরাপদ বার্ধক্য নিশ্চিত করাকে সবার অঙ্গীকার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।
বাণীর শেষে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সব প্রবীণের সুস্বাস্থ্য ও শান্তিময় জীবন কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।