নিউইয়র্কে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর ৮০ কর্মসূচি, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ
ঢাকাপ্রোব ডেস্ক
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
নিউইয়র্কে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর ৮০ কর্মসূচি, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সফরে আন্তর্জাতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ব্যস্ত উপস্থিতি দেখা গেছে। সফরে বহুপাক্ষিক সম্পর্কের সংস্কার, অর্থনৈতিক কূটনীতি, মানবাধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একই পরিবারের তিন সদস্যের ভাষণ দেওয়ার ঘটনাও বিরল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তিনজন একই পরিবারের সদস্য।ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের বিষয়টিও সফরে গুরুত্ব পায়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে।চার দিনে প্রায় ৮০ কর্মসূচিচার দিনের সফরে বিশ্বের ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের আটটি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনেও অংশ নেন তিনি। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ১১টি প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগসহ মোট প্রায় ৮০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল।মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়। কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ আল-খালিদ, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।এসব আলোচনায় সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রবাসী কর্মীদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয় উঠে আসে। তুরস্ক, ইরান এবং এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন তিনি।পুনরুদ্ধার, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় দেওয়া ভাষণে দেশ পুনর্গঠন ও টেকসই অগ্রগতির জন্য ‘থ্রি-আর কৌশল’ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এর তিনটি দিক হলো পুনরুদ্ধার, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণ।ভাষণে বৈশ্বিক ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের বিষয়ও তুলে ধরা হয়।বিনিয়োগ আকর্ষণে অর্থনৈতিক বার্তাবৈদেশিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক মূলধন আকর্ষণেও সফরে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান চেসের সহযোগিতায় ওয়াল স্ট্রিটে আয়োজিত বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।সেখানে বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশের কথা তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত দেশ হিসেবে উপস্থাপন করেন।মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমান কেনার বাণিজ্যিক আলোচনাও হয়। এর মাধ্যমে অ্যারোস্পেস ও পরিবহন খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসে।বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় ভাঙ্গার সঙ্গে বৈঠকেও অর্থনৈতিক সংস্কার, বাজেট সহায়তা ও বৈদেশিক বাণিজ্যে আস্থা ফেরানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রযুক্তি ও জনস্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবনী অর্থায়ন নিয়ে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজম্যানের সঙ্গেও আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিজলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর পক্ষে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল ছাড় এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।রোহিঙ্গা সংকটেও গুরুত্বজাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক এবং শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।এসব বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রিত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার সংকটের স্থায়ী সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।স্বাস্থ্য ও শ্রমবাজারসুইডেন ও ইউএনএফপিএর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘হেলদি বাংলাদেশ’ রূপরেখা তুলে ধরা হয়। এর আওতায় দেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন শ্রমবাজার এবং ভিসা সহজীকরণের বিষয়েও আশ্বাস পাওয়া যায়।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির বলেন, শান্তি, অহিংসা, মানবাধিকার ও পরিবেশগত ভারসাম্যের চেতনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘে বাংলাদেশের বার্তা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, অর্থনৈতিক ও মানবিক রূপরেখার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, সফরে উপস্থাপিত নীতি, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে। বাংলাদেশকে স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই এসব পরিকল্পনার লক্ষ্য।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সফরে আন্তর্জাতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ব্যস্ত উপস্থিতি দেখা গেছে। সফরে বহুপাক্ষিক সম্পর্কের সংস্কার, অর্থনৈতিক কূটনীতি, মানবাধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একই পরিবারের তিন সদস্যের ভাষণ দেওয়ার ঘটনাও বিরল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তিনজন একই পরিবারের সদস্য।
ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের বিষয়টিও সফরে গুরুত্ব পায়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে।
চার দিনে প্রায় ৮০ কর্মসূচি
চার দিনের সফরে বিশ্বের ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের আটটি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনেও অংশ নেন তিনি। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ১১টি প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগসহ মোট প্রায় ৮০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়। কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ আল-খালিদ, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
এসব আলোচনায় সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রবাসী কর্মীদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয় উঠে আসে। তুরস্ক, ইরান এবং এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন তিনি।
পুনরুদ্ধার, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় দেওয়া ভাষণে দেশ পুনর্গঠন ও টেকসই অগ্রগতির জন্য ‘থ্রি-আর কৌশল’ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এর তিনটি দিক হলো পুনরুদ্ধার, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণ।
ভাষণে বৈশ্বিক ডিজিটাল বিভাজন কমানো এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের বিষয়ও তুলে ধরা হয়।
বিনিয়োগ আকর্ষণে অর্থনৈতিক বার্তা
বৈদেশিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক মূলধন আকর্ষণেও সফরে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান চেসের সহযোগিতায় ওয়াল স্ট্রিটে আয়োজিত বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সেখানে বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশের কথা তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত দেশ হিসেবে উপস্থাপন করেন।
মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমান কেনার বাণিজ্যিক আলোচনাও হয়। এর মাধ্যমে অ্যারোস্পেস ও পরিবহন খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসে।
বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় ভাঙ্গার সঙ্গে বৈঠকেও অর্থনৈতিক সংস্কার, বাজেট সহায়তা ও বৈদেশিক বাণিজ্যে আস্থা ফেরানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রযুক্তি ও জনস্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবনী অর্থায়ন নিয়ে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজম্যানের সঙ্গেও আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবি
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর পক্ষে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল ছাড় এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
রোহিঙ্গা সংকটেও গুরুত্ব
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক এবং শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
এসব বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রিত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার সংকটের স্থায়ী সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য ও শ্রমবাজার
সুইডেন ও ইউএনএফপিএর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘হেলদি বাংলাদেশ’ রূপরেখা তুলে ধরা হয়। এর আওতায় দেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন শ্রমবাজার এবং ভিসা সহজীকরণের বিষয়েও আশ্বাস পাওয়া যায়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির বলেন, শান্তি, অহিংসা, মানবাধিকার ও পরিবেশগত ভারসাম্যের চেতনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘে বাংলাদেশের বার্তা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, অর্থনৈতিক ও মানবিক রূপরেখার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, সফরে উপস্থাপিত নীতি, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে। বাংলাদেশকে স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই এসব পরিকল্পনার লক্ষ্য।