জীবন দিয়েও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতির
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঠাকুরগাঁও
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
জীবন দিয়েও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতির.
দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরে গিয়ে রোববার বিকেলে সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমার জীবনের বিনিময় হলেও দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব।’ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংঘাতের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার রাজনীতিতে আসতে হবে।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে। তবে এখন আর মারামারি ও খুনোখুনি দেখতে চান না তিনি। দেশের রাজনীতিতে শান্তি ও সমঝোতার পরিবেশ দেখতে চান।তরুণদের মাদক ও নানা অপরাধ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। খেলাধুলা ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান।ঠাকুরগাঁওয়ের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে জেলার মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানান।নিজ জেলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, এই মাটির সঙ্গে তাঁর জীবনের সবকিছু জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসার ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারবেন না তিনি।রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে পুরো ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নিজ জেলার মানুষের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক।’এর আগে রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।পরে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। সেখান থেকে সেনুয়া পারিবারিক গোরস্তানে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন।এরপর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি। অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি।নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু খাইরুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন।জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন দলের নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংবর্ধনা কমিটির সদস্যসচিব ও ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।রাষ্ট্রপতি সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করবেন। এরপর বিকেলে হেলিকপ্টারে ঢাকায় ফিরে যাবেন তিনি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরে গিয়ে রোববার বিকেলে সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমার জীবনের বিনিময় হলেও দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব।’ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংঘাতের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার রাজনীতিতে আসতে হবে।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে। তবে এখন আর মারামারি ও খুনোখুনি দেখতে চান না তিনি। দেশের রাজনীতিতে শান্তি ও সমঝোতার পরিবেশ দেখতে চান।
তরুণদের মাদক ও নানা অপরাধ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। খেলাধুলা ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান।
ঠাকুরগাঁওয়ের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে জেলার মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
নিজ জেলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, এই মাটির সঙ্গে তাঁর জীবনের সবকিছু জড়িয়ে আছে। ঠাকুরগাঁওবাসীর ভালোবাসার ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারবেন না তিনি।
রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে পুরো ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নিজ জেলার মানুষের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক।’
এর আগে রোববার দুপুরে হেলিকপ্টারে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। সেখান থেকে সেনুয়া পারিবারিক গোরস্তানে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন।
এরপর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি। অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি।
নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু খাইরুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন।
জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন দলের নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংবর্ধনা কমিটির সদস্যসচিব ও ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।
রাষ্ট্রপতি সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করবেন। এরপর বিকেলে হেলিকপ্টারে ঢাকায় ফিরে যাবেন তিনি।