জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান.
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তাঁর প্রথম নিউইয়র্ক সফর। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ, অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি কয়েকজন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফর হবে সংক্ষিপ্ত। তিনি নিউইয়র্কে চার থেকে পাঁচ দিন অবস্থান করবেন। ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ছাড়বেন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা ৩৫ জনের বেশি হবে না।৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ প্রতিপাদ্যকে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার আহ্বান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান ছয়টি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছেন। এগুলো হলো শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গতি বাড়ানো, জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা, মানবাধিকার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উদীয়মান প্রযুক্তির শাসনব্যবস্থা এবং জাতিসংঘ সংস্কার।শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক কূটনীতি, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন অর্থায়নের ঘাটতি কমানো, বৈশ্বিক ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বাস্তবায়ন এবং জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করার বিষয়ও আলোচনায় থাকবে।অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে। জাতিসংঘের সূচি অনুযায়ী এ বিতর্ক চলবে ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর। এ সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেবেন এবং নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।এ পর্বে যুদ্ধ ও সংঘাত, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু আলোচনায় আসবে।১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল বহুপক্ষীয় ফোরাম। এ ফোরামে শান্তি ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বৈশ্বিক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তাঁর প্রথম নিউইয়র্ক সফর। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ, অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি কয়েকজন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফর হবে সংক্ষিপ্ত। তিনি নিউইয়র্কে চার থেকে পাঁচ দিন অবস্থান করবেন। ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ছাড়বেন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা ৩৫ জনের বেশি হবে না।
৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ প্রতিপাদ্যকে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার আহ্বান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান ছয়টি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছেন। এগুলো হলো শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গতি বাড়ানো, জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা, মানবাধিকার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উদীয়মান প্রযুক্তির শাসনব্যবস্থা এবং জাতিসংঘ সংস্কার।
শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক কূটনীতি, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন অর্থায়নের ঘাটতি কমানো, বৈশ্বিক ডিজিটাল কমপ্যাক্ট বাস্তবায়ন এবং জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করার বিষয়ও আলোচনায় থাকবে।
অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে। জাতিসংঘের সূচি অনুযায়ী এ বিতর্ক চলবে ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর। এ সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেবেন এবং নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরবেন।
এ পর্বে যুদ্ধ ও সংঘাত, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু আলোচনায় আসবে।
১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল বহুপক্ষীয় ফোরাম। এ ফোরামে শান্তি ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বৈশ্বিক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।