ফেনী থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়মিত বিতরণ
alamin dhakaprobe
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৬ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ফেনী থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়মিত বিতরণ.
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষে নিয়মিত ও বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের নতুন ধাপ শুরু হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।দিনব্যাপী সফরে তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করবেন। এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উদ্বোধন এবং রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফেনী থেকে নিয়মিত কার্যক্রম শুরুর পর অক্টোবর-নভেম্বরে সারা দেশে একযোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের চূড়ান্ত ধাপে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। এর আগে দেশের কয়েকটি উপজেলায় বিভিন্ন ধাপে কর্মসূচিটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও ১ অক্টোবর ফেনীর ফুলগাজী থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কথা জানানো হয়েছে।ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করবেন। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানি ভাতা দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফেনীতে সুবিধাবঞ্চিত নারীপ্রধান ৫১০ জনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এ ছাড়া দুস্থ ও অসহায় ১০০ জনকে বিশেষ অনুদান, দরিদ্র মেধাবী ৫০ শিক্ষার্থীকে বিশেষ অনুদান, বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ৩০ জনকে আর্থিক সহায়তা এবং প্রতিবন্ধী ২০ জনকে অনুদান দেওয়া হবে। নির্বাচিত কয়েকজন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি এসব সহায়তা গ্রহণ করবেন।সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, পরীক্ষামূলক পর্যায়ে কর্মসূচিটির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। এখন নিয়মিত ও বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ১৫ অক্টোবরের পর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য রয়েছে।কৃষক কার্ডেও অগ্রাধিকারফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ড বাস্তবায়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।উদ্বোধনী পর্যায়ে ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলার ৭৭টি কৃষি ব্লকের ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষক কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৯ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। আপাতত মাঝারি ও বড় কৃষকেরা এ সুবিধার আওতায় থাকছেন না।কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য দেশব্যাপী ২ কোটি ৪০ লাখ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষককে আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা।আবার শুরু হচ্ছে খাল-নদী পুনঃখননবর্ষার কারণে কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হচ্ছে খাল, নদী ও জলাশয় পুনঃখনন কর্মসূচি। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার বছরে প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন-পুনঃখননের লক্ষ্য রয়েছে।চলতি বছর ইতিমধ্যে ১১০টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গত ছয় মাসে ৩৭৭ কিলোমিটার খনন-পুনঃখননের কাজ শেষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬০ কিলোমিটার।ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রী পরশুরামে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করবেন।১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি গত জুনে একনেকে অনুমোদিত হয়। এতে বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনঃখনন ও সেচ অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্ষার কারণে এপ্রিল থেকে আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের কাজ বন্ধ ছিল। বর্ষা শেষ হওয়ায় আবার কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। ফেনী থেকেই এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎপ্রধানমন্ত্রীর সফরে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনের ছাদে স্থাপিত প্রায় এক মেগাওয়াট ক্ষমতার রুফটপ সোলার সিস্টেম থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।এর পাশাপাশি ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী কর্মসূচিসফরসূচি অনুযায়ী, আজ সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হবেন।দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছাবেন। সেখানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন করবেন। স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময়ও করবেন।দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।পরে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠের অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি ভাতা প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে বিকেল ৫টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে ফেনী ছাড়ার কথা রয়েছে তাঁর।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষে নিয়মিত ও বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের নতুন ধাপ শুরু হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দিনব্যাপী সফরে তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করবেন। এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উদ্বোধন এবং রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফেনী থেকে নিয়মিত কার্যক্রম শুরুর পর অক্টোবর-নভেম্বরে সারা দেশে একযোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের চূড়ান্ত ধাপে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। এর আগে দেশের কয়েকটি উপজেলায় বিভিন্ন ধাপে কর্মসূচিটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও ১ অক্টোবর ফেনীর ফুলগাজী থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কথা জানানো হয়েছে।
ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করবেন। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানি ভাতা দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফেনীতে সুবিধাবঞ্চিত নারীপ্রধান ৫১০ জনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এ ছাড়া দুস্থ ও অসহায় ১০০ জনকে বিশেষ অনুদান, দরিদ্র মেধাবী ৫০ শিক্ষার্থীকে বিশেষ অনুদান, বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ৩০ জনকে আর্থিক সহায়তা এবং প্রতিবন্ধী ২০ জনকে অনুদান দেওয়া হবে। নির্বাচিত কয়েকজন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি এসব সহায়তা গ্রহণ করবেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, পরীক্ষামূলক পর্যায়ে কর্মসূচিটির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। এখন নিয়মিত ও বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ১৫ অক্টোবরের পর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য রয়েছে।
কৃষক কার্ডেও অগ্রাধিকার
ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ড বাস্তবায়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
উদ্বোধনী পর্যায়ে ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলার ৭৭টি কৃষি ব্লকের ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষক কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৯ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।
কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। আপাতত মাঝারি ও বড় কৃষকেরা এ সুবিধার আওতায় থাকছেন না।
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য দেশব্যাপী ২ কোটি ৪০ লাখ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষককে আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা।
আবার শুরু হচ্ছে খাল-নদী পুনঃখনন
বর্ষার কারণে কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হচ্ছে খাল, নদী ও জলাশয় পুনঃখনন কর্মসূচি। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার বছরে প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন-পুনঃখননের লক্ষ্য রয়েছে।
চলতি বছর ইতিমধ্যে ১১০টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গত ছয় মাসে ৩৭৭ কিলোমিটার খনন-পুনঃখননের কাজ শেষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬০ কিলোমিটার।
ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রী পরশুরামে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করবেন।
১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি গত জুনে একনেকে অনুমোদিত হয়। এতে বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনঃখনন ও সেচ অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্ষার কারণে এপ্রিল থেকে আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের কাজ বন্ধ ছিল। বর্ষা শেষ হওয়ায় আবার কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। ফেনী থেকেই এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।
রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ
প্রধানমন্ত্রীর সফরে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনের ছাদে স্থাপিত প্রায় এক মেগাওয়াট ক্ষমতার রুফটপ সোলার সিস্টেম থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।
এর পাশাপাশি ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী কর্মসূচি
সফরসূচি অনুযায়ী, আজ সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হবেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছাবেন। সেখানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন করবেন। স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময়ও করবেন।
দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
পরে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠের অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি ভাতা প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে বিকেল ৫টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে ফেনী ছাড়ার কথা রয়েছে তাঁর।