‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে তিন গ্রাম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে তিন গ্রাম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী.
দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ (সোমবার, ১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ উদ্বোধন করবেন তিনি।বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুন:নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে 'এসডিজি ভিলেজ' প্রকল্প গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। পাইলট প্রকল্পে রাঙামাটি কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা দাকোপ উপজেলার পানখালী ও দিনাজপুর বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম নির্বাচিত করা হয়েছে।এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের আলোকে গ্রামে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্হা থাকছে এই প্রকল্পে। এমন সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাঙামাটির মিতিঙ্গাছড়ির গ্রামবাসী।গ্রামবাসী জানান, রাস্তাঘাট তাড়াতাড়ি পরিবর্তন হলে তো আমাদের জন্য ভালো হবে। রাস্তাঘাট হয়ে গেলে, ছোটখাটো যদি একটা স্কুল হয় এলাকাতে, তাহলে আরও উন্নয়ন হবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, এটা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপিত হবে। সেজন্য সরকারের এই পদক্ষেপকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করে আমরা এটাকে বাস্তবায়ন করতে চাই। আমার বিশ্বাস, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বড় কল্যাণে কাজ দিবে।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এসডিজি প্রকল্পের আওতায় মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে পাইলট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।রাঙামাটি এসডিজি ভিলেজের ভিলেজ কো-অর্ডিনেটর মনজুরুল হক বলেন, যদি এই প্রকল্প আমরা—যদি বলার কোনো সুযোগ নেই, বিনা ব্যর্থতায় আমাদেরকে এটি সফল করতে হবে। আমরা এই এক বছর এই পাইলটিং প্রজেক্ট শেষে এবার আমরা আবার এন্ডিং জরিপ করব যে, এখানে আমাদের আগে কী ছিল, এখন কী হলো। তারপরে আমরা এটা ন্যাশনালি সারা বাংলাদেশে স্কেল আপ করবো।সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ও বাংলাদেশ পরিকল্পনা বিভাগের এই পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে সারাদেশসহ বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা নেবে সরকার।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ (সোমবার, ১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ উদ্বোধন করবেন তিনি।
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুন:নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে 'এসডিজি ভিলেজ' প্রকল্প গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। পাইলট প্রকল্পে রাঙামাটি কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা দাকোপ উপজেলার পানখালী ও দিনাজপুর বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম নির্বাচিত করা হয়েছে।
এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের আলোকে গ্রামে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্হা থাকছে এই প্রকল্পে। এমন সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাঙামাটির মিতিঙ্গাছড়ির গ্রামবাসী।
গ্রামবাসী জানান, রাস্তাঘাট তাড়াতাড়ি পরিবর্তন হলে তো আমাদের জন্য ভালো হবে। রাস্তাঘাট হয়ে গেলে, ছোটখাটো যদি একটা স্কুল হয় এলাকাতে, তাহলে আরও উন্নয়ন হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, এটা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপিত হবে। সেজন্য সরকারের এই পদক্ষেপকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করে আমরা এটাকে বাস্তবায়ন করতে চাই। আমার বিশ্বাস, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বড় কল্যাণে কাজ দিবে।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এসডিজি প্রকল্পের আওতায় মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে পাইলট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
রাঙামাটি এসডিজি ভিলেজের ভিলেজ কো-অর্ডিনেটর মনজুরুল হক বলেন, যদি এই প্রকল্প আমরা—যদি বলার কোনো সুযোগ নেই, বিনা ব্যর্থতায় আমাদেরকে এটি সফল করতে হবে। আমরা এই এক বছর এই পাইলটিং প্রজেক্ট শেষে এবার আমরা আবার এন্ডিং জরিপ করব যে, এখানে আমাদের আগে কী ছিল, এখন কী হলো। তারপরে আমরা এটা ন্যাশনালি সারা বাংলাদেশে স্কেল আপ করবো।
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ও বাংলাদেশ পরিকল্পনা বিভাগের এই পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে সারাদেশসহ বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা নেবে সরকার।