দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে: আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে: আইনমন্ত্রী.
দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে জানিয়ে মামলাজট নিরসন এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) আয়োজিত জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের ৪৬ লাখের বেশি মামলার জট রয়েছে। এই মামলার জট নিরসন এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য বিচার বিভাগের সক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’সভায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে বিচারক, প্রসিকিউটর ও সংশ্লিষ্ট বিচারিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।২০২৬ সালে প্রণীত ‘মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বাস্তবায়ন নিয়েও সভায় মতবিনিময় করেন বিচারক, প্রসিকিউটর ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। নতুন আইনটি ২০১২ সালের মানব পাচারবিরোধী আইনকে প্রতিস্থাপন করেছে। এতে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে একটি সমন্বিত আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।সভায় নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান ও অনিয়মিত অভিবাসনের পার্থক্য, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ এবং ডিজিটাল, আর্থিক ও আন্তঃসীমান্ত প্রমাণ সংগ্রহ ও উপস্থাপনের বিষয়ও উঠে আসে।পরামর্শ সভায় চারটি প্রধান ক্ষেত্রে সুপারিশ তৈরির কথা জানানো হয়। এগুলো হলো—নতুন আইন বাস্তবায়নের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, বিচারক ও প্রসিকিউটরদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় মামলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, সহায়তা ও ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার।সভায় বলা হয়, নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যবহারিক নির্দেশনা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং আইনের বিভিন্ন বিধানের ধারাবাহিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েসের সভাপতিত্বে সভায় ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান হোলগে এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা মাহদি হাসান স্বাগত ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত ‘দক্ষিণ এশিয়ায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও মোকাবিলা (২০২৪-২০২৭)’ আঞ্চলিক উদ্যোগের আওতায় এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়। সভা থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে পরবর্তী কার্যক্রম ও কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে জানিয়ে মামলাজট নিরসন এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) আয়োজিত জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের ৪৬ লাখের বেশি মামলার জট রয়েছে। এই মামলার জট নিরসন এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য বিচার বিভাগের সক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’
সভায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে বিচারক, প্রসিকিউটর ও সংশ্লিষ্ট বিচারিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
২০২৬ সালে প্রণীত ‘মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বাস্তবায়ন নিয়েও সভায় মতবিনিময় করেন বিচারক, প্রসিকিউটর ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। নতুন আইনটি ২০১২ সালের মানব পাচারবিরোধী আইনকে প্রতিস্থাপন করেছে। এতে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে একটি সমন্বিত আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।
সভায় নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান ও অনিয়মিত অভিবাসনের পার্থক্য, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ এবং ডিজিটাল, আর্থিক ও আন্তঃসীমান্ত প্রমাণ সংগ্রহ ও উপস্থাপনের বিষয়ও উঠে আসে।
পরামর্শ সভায় চারটি প্রধান ক্ষেত্রে সুপারিশ তৈরির কথা জানানো হয়। এগুলো হলো—নতুন আইন বাস্তবায়নের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, বিচারক ও প্রসিকিউটরদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় মামলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, সহায়তা ও ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার।
সভায় বলা হয়, নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যবহারিক নির্দেশনা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং আইনের বিভিন্ন বিধানের ধারাবাহিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েসের সভাপতিত্বে সভায় ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান হোলগে এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা মাহদি হাসান স্বাগত ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত ‘দক্ষিণ এশিয়ায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও মোকাবিলা (২০২৪-২০২৭)’ আঞ্চলিক উদ্যোগের আওতায় এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়। সভা থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে পরবর্তী কার্যক্রম ও কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে।