বিপৎসীমার ছুঁইছুঁই তিস্তা, নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফের বন্যার আতঙ্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বিপৎসীমার ছুঁইছুঁই তিস্তা, নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফের বন্যার আতঙ্ক.
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। পানির তীব্র চাপ সামলাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট একযোগে খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে লালমনিরহাটের নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে ফের বড় ধরনের বন্যার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যানুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। উজানের পানির প্রবাহ অব্যাহত থাকায় নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।ইতোমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গিমারী, সিন্দুর্না ও ডাউয়াবাড়ী এবং আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ও সদর উপজেলার রাজপুর, খুনিয়াগাছ ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে। লোকালয় ও ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ায় স্থানীয় অধিবাসীদের অনেকে গবাদিপশু ও জরুরি মালামাল নিরাপদ স্থানে সরাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।পানি বাড়ার পাশাপাশি চরম ঝুঁকিতে পড়েছে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও তীরবর্তী উঁচু সড়কগুলো। নদীর তীরবর্তী অধিবাসীদের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনীয় টেকসই সংস্কারকাজ না করে প্রতি বছর বর্ষাকালে জরুরি মেরামতের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়। বর্ষার আগেই বাঁধ টেকসই করা গেলে আজ এই ভাঙন ও বন্যার ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হতো না।পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উজান থেকে যেভাবে পানি আসছে, তাতে বাঁধ ভেঙে গেলে এলাকা মারাত্মকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তারা। নদীপাড়ের পরিবারগুলোতে এখন নির্ঘুম রাত কাটানোর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকায় নদীর নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। সার্বিক অবস্থায় নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। পানির তীব্র চাপ সামলাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট একযোগে খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে লালমনিরহাটের নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে ফের বড় ধরনের বন্যার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যানুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। উজানের পানির প্রবাহ অব্যাহত থাকায় নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
ইতোমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গিমারী, সিন্দুর্না ও ডাউয়াবাড়ী এবং আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ও সদর উপজেলার রাজপুর, খুনিয়াগাছ ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে। লোকালয় ও ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ায় স্থানীয় অধিবাসীদের অনেকে গবাদিপশু ও জরুরি মালামাল নিরাপদ স্থানে সরাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
পানি বাড়ার পাশাপাশি চরম ঝুঁকিতে পড়েছে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও তীরবর্তী উঁচু সড়কগুলো। নদীর তীরবর্তী অধিবাসীদের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনীয় টেকসই সংস্কারকাজ না করে প্রতি বছর বর্ষাকালে জরুরি মেরামতের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়। বর্ষার আগেই বাঁধ টেকসই করা গেলে আজ এই ভাঙন ও বন্যার ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হতো না।
পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উজান থেকে যেভাবে পানি আসছে, তাতে বাঁধ ভেঙে গেলে এলাকা মারাত্মকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তারা। নদীপাড়ের পরিবারগুলোতে এখন নির্ঘুম রাত কাটানোর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকায় নদীর নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। সার্বিক অবস্থায় নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।