ভারতে পলাতক আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতা না করতে পারে: দীনেশ ত্রিবেদীকে মাহদী আমিন
নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৫ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ভারতে পলাতক আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতা না করতে পারে: দীনেশ ত্রিবেদীকে মাহদী আমিন.
ভারতে অবস্থানরত পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসর ও আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে বাংলাদেশে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে না পারে, সে বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।বৃহস্পতিবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাহদী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।দুই দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধ আরও সুসংহত করার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করেন তাঁরা। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ পর্যায়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ পারস্পরিক সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানের বিষয়েও গঠনমূলক আলোচনা হয়।বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তাঁরা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ভারতে অবস্থানরত পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসর ও আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে বাংলাদেশে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে না পারে, সে বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
বৃহস্পতিবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাহদী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
দুই দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধ আরও সুসংহত করার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করেন তাঁরা। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ পর্যায়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।
বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ পারস্পরিক সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানের বিষয়েও গঠনমূলক আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তাঁরা।