বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় অস্ট্রেলিয়া
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় অস্ট্রেলিয়া.
অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, ক্রীড়া শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসাংস্কৃতিক বিষয়ক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল এমপি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান টাইলও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানো, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক জোরদার, বিশ্ববিদ্যালয়-থেকে-বিশ্ববিদ্যালয় সংযোগ এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মাহ্দী আমিন তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার, নতুন কারিকুলামে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্তি, আনন্দময় শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বাড়ানোর উদ্যোগ তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
জবাবে জুলিয়ান হিল বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ক্রীড়া শিক্ষা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান।
বৈঠকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, শ্রমিক চলাচল, দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান, শ্রমবাজার এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া শিক্ষা অংশীদারিত্ব আরও জোরদার, গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
বৈঠকে অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, ক্রীড়া শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসাংস্কৃতিক বিষয়ক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল এমপি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান টাইলও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানো, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক জোরদার, বিশ্ববিদ্যালয়-থেকে-বিশ্ববিদ্যালয় সংযোগ এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মাহ্দী আমিন তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার, নতুন কারিকুলামে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্তি, আনন্দময় শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বাড়ানোর উদ্যোগ তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
জবাবে জুলিয়ান হিল বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ক্রীড়া শিক্ষা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান।
বৈঠকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, শ্রমিক চলাচল, দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান, শ্রমবাজার এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া শিক্ষা অংশীদারিত্ব আরও জোরদার, গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
বৈঠকে অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।