বাংলাদেশ সফরে কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বাংলাদেশ সফরে কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর.
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরের অপেক্ষায় থাকা কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।তিনি বলেন, চুক্তিটি কার্যকর হলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।ইয়ো হান-কু বলেন, ইতোমধ্যে অনেক কোরিয়ান কোম্পানি বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী।প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলোকে খেলনা, ইলেকট্রনিকস, টেলিযোগাযোগ, অটোমোবাইল, সেমিকন্ডাক্টর এবং জাহাজ নির্মাণ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়। বাংলাদেশের রয়েছে দক্ষ ও সম্ভাবনাময় জনশক্তি। কোরিয়া চাইলে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে নিয়োজিত করতে পারে। পাশাপাশি কোরিয়ান কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে এ খাতে বিনিয়োগ করলে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।বৈঠকে বাংলাদেশে কোরিয়ান কোম্পানিগুলোকে নিয়ে একটি বিনিয়োগবিষয়ক সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। পাশাপাশি দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদলকে অবহিত করা হয়।দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এসব উদ্যোগ ও প্রস্তাব দুই দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।বৈঠকের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরের অপেক্ষায় থাকা কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, চুক্তিটি কার্যকর হলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
ইয়ো হান-কু বলেন, ইতোমধ্যে অনেক কোরিয়ান কোম্পানি বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী।
প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলোকে খেলনা, ইলেকট্রনিকস, টেলিযোগাযোগ, অটোমোবাইল, সেমিকন্ডাক্টর এবং জাহাজ নির্মাণ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়। বাংলাদেশের রয়েছে দক্ষ ও সম্ভাবনাময় জনশক্তি। কোরিয়া চাইলে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে নিয়োজিত করতে পারে। পাশাপাশি কোরিয়ান কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে এ খাতে বিনিয়োগ করলে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।
বৈঠকে বাংলাদেশে কোরিয়ান কোম্পানিগুলোকে নিয়ে একটি বিনিয়োগবিষয়ক সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। পাশাপাশি দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদলকে অবহিত করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এসব উদ্যোগ ও প্রস্তাব দুই দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
বৈঠকের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।