আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু.
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব কাজে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ অনুসন্ধানে এরই মধ্যে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে।দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামকে এই দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য তিনজন হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।দুদক সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র।অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বেআইনি কাজ হাসিলের জন্য ঘুষ গ্রহণ ও অর্থ পাচার। বিদেশে অর্থ পাচার এবং বেআইনি বিটকয়েন লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।এ ছাড়া চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এসব অভিযোগ দুদকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।দুদক সূত্র আরও জানায়, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকার সময় ক্রিকেট বোর্ড গঠনে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে।অভিযোগ রয়েছে, সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের মাধ্যমে আসিফ মাহমুদ বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন।এসব অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে দুদকের বিশেষ দল।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব কাজে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ অনুসন্ধানে এরই মধ্যে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামকে এই দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য তিনজন হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
দুদক সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বেআইনি কাজ হাসিলের জন্য ঘুষ গ্রহণ ও অর্থ পাচার। বিদেশে অর্থ পাচার এবং বেআইনি বিটকয়েন লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
এ ছাড়া চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এসব অভিযোগ দুদকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুদক সূত্র আরও জানায়, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকার সময় ক্রিকেট বোর্ড গঠনে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের মাধ্যমে আসিফ মাহমুদ বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে দুদকের বিশেষ দল।