পেরুতে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প.
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দেশটির মধ্যাঞ্চলে এ ভূমিকম্প হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস।ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯৯ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্র ছিল আন্দিজ পর্বতমালায় আনিসো শহরের প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।তবে এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউটের (আইজিপি) প্রধান হারনান্দো তাভেরা বলেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি অনেক গভীরে হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।স্থানীয় রেডিও স্টেশন আরপিপিকে তিনি বলেন, আতঙ্কে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছিল। তবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।আইজিপি শুরুতে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭ দশমিক ২ বলে জানিয়েছিল। পরে তা সংশোধন করে ৬ দশমিক ৭ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।পেরু বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তামা উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এ অঞ্চলে বিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ ভূমিকম্পনজনিত কার্যকলাপ ঘটে।তথ্যসূত্র: ইউএসএ টুডে
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দেশটির মধ্যাঞ্চলে এ ভূমিকম্প হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস।
ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯৯ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্র ছিল আন্দিজ পর্বতমালায় আনিসো শহরের প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।
তবে এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউটের (আইজিপি) প্রধান হারনান্দো তাভেরা বলেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি অনেক গভীরে হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় রেডিও স্টেশন আরপিপিকে তিনি বলেন, আতঙ্কে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছিল। তবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
আইজিপি শুরুতে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭ দশমিক ২ বলে জানিয়েছিল। পরে তা সংশোধন করে ৬ দশমিক ৭ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
পেরু বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তামা উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এ অঞ্চলে বিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ ভূমিকম্পনজনিত কার্যকলাপ ঘটে।