মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সব দেশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সব দেশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরান.
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শুধু একটি দেশের বিরুদ্ধে ‘অবৈধ অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ নয়; বরং এটি সব দেশের বিরুদ্ধেই এক ধরনের ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। বাঘেই বলেন, নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের স্বাধীন ও জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর ওপর নিজের আইন ও কর্তৃত্ব চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।তিনি বলেন, কোনো দেশের সরকারই বিদেশি ব্যাংক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরকে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে বাধ্য করার অধিকার রাখে না। কারণ এসব প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ দেশের আইনি ও সার্বভৌম ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হয়।ইরানি এই মুখপাত্র আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা এ ধরনের ‘সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা’র আন্তর্জাতিক আইনের কোনো ভিত্তি নেই।তার মতে, এসব পদক্ষেপ জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ নম্বর ধারায় স্বীকৃত রাষ্ট্রগুলোর সমান সার্বভৌমত্বের নীতিও লঙ্ঘন করে।বাঘেই অর্থনৈতিক চাপকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ও বেআইনি কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি যদি নৌ অবরোধও আরোপ করা হয়, তাহলে অন্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেন তিনি।তার ভাষায়, এ ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করলে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ধীরে ধীরে পুরোপুরি দুর্বল হয়ে যাবে এবং বিশ্ব আবারও ‘প্রকাশ্য ও পূর্ণমাত্রার ঔপনিবেশিকতার’ দিকে ফিরে যেতে পারে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শুধু একটি দেশের বিরুদ্ধে ‘অবৈধ অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ নয়; বরং এটি সব দেশের বিরুদ্ধেই এক ধরনের ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
বাঘেই বলেন, নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের স্বাধীন ও জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর ওপর নিজের আইন ও কর্তৃত্ব চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, কোনো দেশের সরকারই বিদেশি ব্যাংক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরকে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে বাধ্য করার অধিকার রাখে না। কারণ এসব প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ দেশের আইনি ও সার্বভৌম ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হয়।
ইরানি এই মুখপাত্র আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা এ ধরনের ‘সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা’র আন্তর্জাতিক আইনের কোনো ভিত্তি নেই।
তার মতে, এসব পদক্ষেপ জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ নম্বর ধারায় স্বীকৃত রাষ্ট্রগুলোর সমান সার্বভৌমত্বের নীতিও লঙ্ঘন করে।
বাঘেই অর্থনৈতিক চাপকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ও বেআইনি কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি যদি নৌ অবরোধও আরোপ করা হয়, তাহলে অন্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেন তিনি।
তার ভাষায়, এ ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করলে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ধীরে ধীরে পুরোপুরি দুর্বল হয়ে যাবে এবং বিশ্ব আবারও ‘প্রকাশ্য ও পূর্ণমাত্রার ঔপনিবেশিকতার’ দিকে ফিরে যেতে পারে।