হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করে মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করে মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের.
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযোগকারী হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ দাবির সমর্থনে একটি মানচিত্রও প্রকাশ করেছেন তিনি।গতকাল শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মানচিত্রটির ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প।এর আগে গত ১৫ আগস্ট নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে হরমুজ নিয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান সামনে ‘খুব বাজেভাবে’ হারতে যাচ্ছে। ইরানকে পরাজিত করার পর হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণা করবেন তিনি।১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর এক পাশে ইরান, অন্য পাশে ওমান।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে অভিযান শুরু করার পর হরমুজে বিদেশি জাহাজ চলাচলে অবরোধ দেয় তেহরান। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের সামুদ্রিক বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রও।পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক চুক্তি সই করে। চুক্তির পর হরমুজ থেকে অবরোধ তুলে নেয় ইরান। ইরানের বন্দরগুলো থেকেও প্রহরা সরিয়ে নেয় মার্কিন নৌবাহিনী।তবে ১৩ জুলাই ইসলামাবাদ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় ইরান। এরপর হরমুজ প্রণালিতে আবারও অবরোধ জারি করে দেশটি। এখনো ওই অবরোধ চলছে।গত ১২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ পরিদর্শনের সময় হরমুজ নিয়ে আরও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ওই জলপথ মাইনমুক্ত করছে।ট্রাম্প আরও বলেন, শিগগিরই পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করা হবে। হরমুজে এখন ইরানের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। পুরো প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।সূত্র: এএফপি, এনডিটিভি
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযোগকারী হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ দাবির সমর্থনে একটি মানচিত্রও প্রকাশ করেছেন তিনি।
গতকাল শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মানচিত্রটির ছবি শেয়ার করেন ট্রাম্প।
এর আগে গত ১৫ আগস্ট নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে হরমুজ নিয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান সামনে ‘খুব বাজেভাবে’ হারতে যাচ্ছে। ইরানকে পরাজিত করার পর হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণা করবেন তিনি।
১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর এক পাশে ইরান, অন্য পাশে ওমান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে অভিযান শুরু করার পর হরমুজে বিদেশি জাহাজ চলাচলে অবরোধ দেয় তেহরান। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের সামুদ্রিক বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রও।
পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক চুক্তি সই করে। চুক্তির পর হরমুজ থেকে অবরোধ তুলে নেয় ইরান। ইরানের বন্দরগুলো থেকেও প্রহরা সরিয়ে নেয় মার্কিন নৌবাহিনী।
তবে ১৩ জুলাই ইসলামাবাদ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় ইরান। এরপর হরমুজ প্রণালিতে আবারও অবরোধ জারি করে দেশটি। এখনো ওই অবরোধ চলছে।
গত ১২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ পরিদর্শনের সময় হরমুজ নিয়ে আরও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ওই জলপথ মাইনমুক্ত করছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, শিগগিরই পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করা হবে। হরমুজে এখন ইরানের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। পুরো প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।