গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৩ হাজার ছাড়াল.
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭৩ হাজার ৪১৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময়ে আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৬০ জন।আল-জাজিরার এজেএল্যাবসের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যচিত্রে এ হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে তথ্যের উৎস হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তরের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, গাজায় প্রতি ৩৩ জন মানুষের মধ্যে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রতি ১৪ জনে একজন। এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো হাজারো মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রায় তিন বছরের এই সংঘাতে গাজার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনাও ধ্বংস হয়েছে।যুদ্ধবিরতির পরও প্রাণহানিতথ্যচিত্রে ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরের হতাহতের হিসাবও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ২৮৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৪ হাজার ২৪৮ জন।অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও গাজায় প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ আগস্ট পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় গাজার হাসপাতালগুলোতে ১০ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকা অনেক মরদেহ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারী ও অ্যাম্বুলেন্সকর্মীরা অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারছেন না। এ কারণে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।সব মিলিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত গাজায় অন্তত ৭৩ হাজার ৪১৭ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৬০ জন আহত হয়েছেন বলে আল-জাজিরার প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।সূত্র: আল-জাজিরা
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭৩ হাজার ৪১৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময়ে আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৬০ জন।
আল-জাজিরার এজেএল্যাবসের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যচিত্রে এ হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে তথ্যের উৎস হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তরের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, গাজায় প্রতি ৩৩ জন মানুষের মধ্যে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রতি ১৪ জনে একজন। এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো হাজারো মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রায় তিন বছরের এই সংঘাতে গাজার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনাও ধ্বংস হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির পরও প্রাণহানি
তথ্যচিত্রে ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরের হতাহতের হিসাবও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ২৮৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৪ হাজার ২৪৮ জন।
অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও গাজায় প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ আগস্ট পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় গাজার হাসপাতালগুলোতে ১০ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকা অনেক মরদেহ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারী ও অ্যাম্বুলেন্সকর্মীরা অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারছেন না। এ কারণে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
সব মিলিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত গাজায় অন্তত ৭৩ হাজার ৪১৭ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৬০ জন আহত হয়েছেন বলে আল-জাজিরার প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।