সেউতা অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন.
মরক্কো থেকে স্পেনীয় ছিটমহল সেউতায় হাজার হাজার অভিবাসীর প্রবেশের ঘটনায় সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই অভিবাসন সংকট সমাধানে আগামী মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়, মরক্কো থেকে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী স্পেনের সেউতায় প্রবেশ করেন। এরপরই সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ এবং ইইউর বহিঃসীমান্ত শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে একটি যৌথ চিঠি জারি করা হয়।সীমান্ত পারাপারের এই আকস্মিক জোয়ারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৬৭ জনে। তবে স্প্যানিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৩০ জুলাই সেউতায় পৌঁছানো ব্যক্তিদের প্রায় সবাই ইতিমধ্যে ফিরে গেছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইইউর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের সমর্থনে ইতালি স্পেনের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে। ইতালির এই সিদ্ধান্তকে ‘স্বার্থপর, বিভাজনমূলক ও বেআইনি’ বলে নিন্দা জানিয়েছে স্পেন।ইইউ নেতাদের যৌথ চিঠিতে বলা হয়, ইউরোপে অবৈধ প্রবেশ সম্ভব—এমন ধারণা ছড়িয়ে পড়লে যৌথ অভিবাসন নীতির প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হবে। এটি অন্যান্য অভিবাসীকেও অনুপ্রবেশে উৎসাহিত করবে, যার প্রভাব পড়বে সব সদস্যরাষ্ট্রের ওপর।বর্তমানে আয়ারল্যান্ড ইইউ কাউন্সিলের সভাপতিত্ব করছে। ইইউ প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনকে উদ্দেশ্য করে লেখা এই চিঠিতে নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও বেলজিয়ামসহ ২২টি দেশের নেতা স্বাক্ষর করেছেন।অন্যদিকে ইইউ প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েনকে লেখা পৃথক চিঠিতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ কয়েকটি ইউরোপীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।সানচেজ বলেন, স্প্যানিশ সরকার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে এবং ইউরোপের দিকে অবৈধ অনুপ্রবেশের ঢল ঠেকিয়ে দিয়েছে।স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাস্কা জানান, সেউতার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। জলপথে অবৈধ অভিবাসন রোধে একটি প্রতিবন্ধক নির্মাণের কাজ চলছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আগের মতো শুরু হয়েছে।পরিস্থিতি সামাল দিতে সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে অন্যান্য দেশও। ইতালির পাশাপাশি ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড ও পর্তুগালও তাদের সীমান্তে তল্লাশি জোরদার করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মরক্কো থেকে স্পেনীয় ছিটমহল সেউতায় হাজার হাজার অভিবাসীর প্রবেশের ঘটনায় সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই অভিবাসন সংকট সমাধানে আগামী মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মরক্কো থেকে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী স্পেনের সেউতায় প্রবেশ করেন। এরপরই সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ এবং ইইউর বহিঃসীমান্ত শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে একটি যৌথ চিঠি জারি করা হয়।
সীমান্ত পারাপারের এই আকস্মিক জোয়ারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৬৭ জনে। তবে স্প্যানিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৩০ জুলাই সেউতায় পৌঁছানো ব্যক্তিদের প্রায় সবাই ইতিমধ্যে ফিরে গেছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইইউর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের সমর্থনে ইতালি স্পেনের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে। ইতালির এই সিদ্ধান্তকে ‘স্বার্থপর, বিভাজনমূলক ও বেআইনি’ বলে নিন্দা জানিয়েছে স্পেন।
ইইউ নেতাদের যৌথ চিঠিতে বলা হয়, ইউরোপে অবৈধ প্রবেশ সম্ভব—এমন ধারণা ছড়িয়ে পড়লে যৌথ অভিবাসন নীতির প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হবে। এটি অন্যান্য অভিবাসীকেও অনুপ্রবেশে উৎসাহিত করবে, যার প্রভাব পড়বে সব সদস্যরাষ্ট্রের ওপর।
বর্তমানে আয়ারল্যান্ড ইইউ কাউন্সিলের সভাপতিত্ব করছে। ইইউ প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনকে উদ্দেশ্য করে লেখা এই চিঠিতে নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও বেলজিয়ামসহ ২২টি দেশের নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
অন্যদিকে ইইউ প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েনকে লেখা পৃথক চিঠিতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ কয়েকটি ইউরোপীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সানচেজ বলেন, স্প্যানিশ সরকার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে এবং ইউরোপের দিকে অবৈধ অনুপ্রবেশের ঢল ঠেকিয়ে দিয়েছে।
স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাস্কা জানান, সেউতার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। জলপথে অবৈধ অভিবাসন রোধে একটি প্রতিবন্ধক নির্মাণের কাজ চলছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আগের মতো শুরু হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে অন্যান্য দেশও। ইতালির পাশাপাশি ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড ও পর্তুগালও তাদের সীমান্তে তল্লাশি জোরদার করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।