পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, ১৩ আরোহীর সবাই নিহত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, ১৩ আরোহীর সবাই নিহত.
পেরুর জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা নাজকা লাইনস পরিদর্শনে যাওয়ার পথে একটি ছোট যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিমানে থাকা ১৩ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন যাত্রী ও দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন। অধিকাংশ যাত্রীই পর্যটক ছিলেন।রোববার (২ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।পুলিশের কর্মকর্তা মেজর জর্জ অন্দ্রেদে বলেন, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় ১১ জন যাত্রী ও দুইজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন।স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কোনো উদ্ধারকাজ চালানো সম্ভব হয়নি। বিমানটি ইকা বিভাগের পিসকো শহর থেকে যাত্রা করেছিল। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পেরু পর্যটননির্ভর একটি দেশ। প্রতিবছর দেশটির ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক সেখানে যান। মাচু পিচুর ইনকা ধ্বংসাবশেষ এবং কুস্কোর বিশাল আদিবাসী পাথরের দেয়াল দেশটির অন্যতম আকর্ষণ।পেরুর বৈদেশিক বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় সাড়ে তিন কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে ৪১ লাখের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।নাজকা লাইনস পেরুর দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় মরুভূমিতে, আন্দিজ পর্বতমালার কাছাকাছি অবস্থিত। ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ থেকে খ্রিস্টাব্দ ৫০০ সালের মধ্যে এসব বিশাল ভূ-চিত্র তৈরি করা হয়। এর ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো নাজকা লাইনসকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।ইউনেস্কোর ভাষ্য, পরিমাণ, প্রকৃতি, আকার ও ধারাবাহিকতার দিক থেকে নাজকা লাইনস প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম বড় রহস্য।ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, এসব জিওগ্লিফে বিভিন্ন প্রাণী, উদ্ভিদ ও কাল্পনিক সত্তার চিত্র রয়েছে। পাশাপাশি কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ জ্যামিতিক নকশাও দেখা যায়। গবেষকদের ধারণা, এগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব জড়িত ছিল।বিশাল আকারের কারণে নাজকা লাইনস সবচেয়ে ভালো দেখা যায় আকাশ থেকে। তাই পর্যটকেরা প্রায়ই ছোট বিমানে চড়ে এগুলো দেখতে যান। আকাশ থেকে বানর, হামিংবার্ড ও বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর আকৃতির বিশাল চিত্র স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সূত্র: আল জাজিরা
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পেরুর জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা নাজকা লাইনস পরিদর্শনে যাওয়ার পথে একটি ছোট যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিমানে থাকা ১৩ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন যাত্রী ও দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন। অধিকাংশ যাত্রীই পর্যটক ছিলেন।
রোববার (২ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশের কর্মকর্তা মেজর জর্জ অন্দ্রেদে বলেন, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় ১১ জন যাত্রী ও দুইজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কোনো উদ্ধারকাজ চালানো সম্ভব হয়নি। বিমানটি ইকা বিভাগের পিসকো শহর থেকে যাত্রা করেছিল। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
পেরু পর্যটননির্ভর একটি দেশ। প্রতিবছর দেশটির ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক সেখানে যান। মাচু পিচুর ইনকা ধ্বংসাবশেষ এবং কুস্কোর বিশাল আদিবাসী পাথরের দেয়াল দেশটির অন্যতম আকর্ষণ।
পেরুর বৈদেশিক বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় সাড়ে তিন কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে ৪১ লাখের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।
নাজকা লাইনস পেরুর দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় মরুভূমিতে, আন্দিজ পর্বতমালার কাছাকাছি অবস্থিত। ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ থেকে খ্রিস্টাব্দ ৫০০ সালের মধ্যে এসব বিশাল ভূ-চিত্র তৈরি করা হয়। এর ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো নাজকা লাইনসকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
ইউনেস্কোর ভাষ্য, পরিমাণ, প্রকৃতি, আকার ও ধারাবাহিকতার দিক থেকে নাজকা লাইনস প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম বড় রহস্য।
ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, এসব জিওগ্লিফে বিভিন্ন প্রাণী, উদ্ভিদ ও কাল্পনিক সত্তার চিত্র রয়েছে। পাশাপাশি কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ জ্যামিতিক নকশাও দেখা যায়। গবেষকদের ধারণা, এগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব জড়িত ছিল।
বিশাল আকারের কারণে নাজকা লাইনস সবচেয়ে ভালো দেখা যায় আকাশ থেকে। তাই পর্যটকেরা প্রায়ই ছোট বিমানে চড়ে এগুলো দেখতে যান। আকাশ থেকে বানর, হামিংবার্ড ও বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর আকৃতির বিশাল চিত্র স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সূত্র: আল জাজিরা