নেপালের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, এখনো নিখোঁজ ২,৪৯৮
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
নেপালের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, এখনো নিখোঁজ ২,৪৯৮.
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২ হাজার ৪৯৮ জন। রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ)।বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭৩৪টি মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়া গেছে চিতাওয়ানে। সেখানে উদ্ধার হয়েছে ২৫৯টি মরদেহ।পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ১৮৪টি এবং পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে ৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া গোর্খায় ৫৮টি, নুয়াকোটে ৫২টি, ধাধলিংয়ে ৫০টি, তানাহুনে ৩৬টি এবং রাসুয়ায় ১৩টি মরদেহ পাওয়া গেছে।বন্যায় আহত ২৪২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বা চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ১৮৬ জনকে।উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন ১৯ হাজার ৮৯৫ জন নিরাপত্তাকর্মী। নেপালি সেনাবাহিনী ২ হাজার ৯৭৪ জন, নেপাল পুলিশ ২ হাজার ৬৯৯ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ২ হাজার ৫১৩ জনকে উদ্ধার করেছে।হেলিকপ্টারে করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে ২৭৯ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। একই অভিযানে ২২৭ জন বিদেশি নাগরিককেও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে। ৩৭টি ট্রাক ও সাতটি হেলিকপ্টারে করে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিশেষায়িত সার্জিক্যাল মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নগদ সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ জন কর্মী রয়েছেন। নিখোঁজ আছেন ৫৮৯ জন বিদেশি নাগরিকও। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন।নেপালের ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর ভয়াবহ বন্যায় মরদেহগুলো অনেক দূরে ভেসে গেছে। ফলে উদ্ধার ও শনাক্তকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। চিতাওয়ানসহ কয়েকটি এলাকায় মরদেহ রাখার জায়গার সংকটও দেখা দিয়েছে।এদিকে বন্যার পরও ভোতে কোশি নদীর পানি বাড়ছে। নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২ হাজার ৪৯৮ জন। রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ)।
বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭৩৪টি মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়া গেছে চিতাওয়ানে। সেখানে উদ্ধার হয়েছে ২৫৯টি মরদেহ।
পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ১৮৪টি এবং পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে ৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া গোর্খায় ৫৮টি, নুয়াকোটে ৫২টি, ধাধলিংয়ে ৫০টি, তানাহুনে ৩৬টি এবং রাসুয়ায় ১৩টি মরদেহ পাওয়া গেছে।
বন্যায় আহত ২৪২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বা চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ১৮৬ জনকে।
উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন ১৯ হাজার ৮৯৫ জন নিরাপত্তাকর্মী। নেপালি সেনাবাহিনী ২ হাজার ৯৭৪ জন, নেপাল পুলিশ ২ হাজার ৬৯৯ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ২ হাজার ৫১৩ জনকে উদ্ধার করেছে।
হেলিকপ্টারে করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে ২৭৯ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। একই অভিযানে ২২৭ জন বিদেশি নাগরিককেও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে। ৩৭টি ট্রাক ও সাতটি হেলিকপ্টারে করে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিশেষায়িত সার্জিক্যাল মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নগদ সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ জন কর্মী রয়েছেন। নিখোঁজ আছেন ৫৮৯ জন বিদেশি নাগরিকও। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন।
নেপালের ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর ভয়াবহ বন্যায় মরদেহগুলো অনেক দূরে ভেসে গেছে। ফলে উদ্ধার ও শনাক্তকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। চিতাওয়ানসহ কয়েকটি এলাকায় মরদেহ রাখার জায়গার সংকটও দেখা দিয়েছে।
এদিকে বন্যার পরও ভোতে কোশি নদীর পানি বাড়ছে। নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।