নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ৪৬৯ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ দেড় হাজার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ৪৬৯ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ দেড় হাজার.
নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৪৬৯টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ। তাঁদের মধ্যে কয়েকশ বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।শুক্রবার সকালে নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্যের বরাত দিয়ে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা ছিল ৪০০। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আরও ৬৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে থাকা মানুষদেরও নিরাপদ এলাকায় নেওয়া হচ্ছে।বুধবার সকালে রাসুয়া জেলার দিকে হঠাৎ ভয়াবহ ঢল নামে। এতে ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে ফুলেফেঁপে ওঠে ভোটেকোশী নদীও।পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে যোগ হয় ভূমিধসের কাদা ও পাথর। প্রবল স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সৃষ্টি হয় ভয়াবহ পরিস্থিতির।বন্যার পানির তোড়ে ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভেসে গেছে বা ধ্বংস হয়েছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে।নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতও এই দুর্যোগে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এর আগে তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল চীনা কর্তৃপক্ষ।ধ্বংসস্তূপ ও কাদার নিচে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধার অভিযান যত এগোবে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সূত্র: এএফপি
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৪৬৯টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ। তাঁদের মধ্যে কয়েকশ বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
শুক্রবার সকালে নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্যের বরাত দিয়ে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা ছিল ৪০০। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আরও ৬৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে থাকা মানুষদেরও নিরাপদ এলাকায় নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার সকালে রাসুয়া জেলার দিকে হঠাৎ ভয়াবহ ঢল নামে। এতে ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে ফুলেফেঁপে ওঠে ভোটেকোশী নদীও।
পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে যোগ হয় ভূমিধসের কাদা ও পাথর। প্রবল স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সৃষ্টি হয় ভয়াবহ পরিস্থিতির।
বন্যার পানির তোড়ে ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভেসে গেছে বা ধ্বংস হয়েছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে।
নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতও এই দুর্যোগে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এর আগে তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল চীনা কর্তৃপক্ষ।
ধ্বংসস্তূপ ও কাদার নিচে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধার অভিযান যত এগোবে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।