মরক্কোর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে প্রথমবার নারী.
মরক্কোর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পেয়েছেন একজন নারী। দেশটির বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ ফাতিমা জাহরা এল মানসুরিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে আরব বিশ্বের দ্বিতীয় নারী সরকারপ্রধান হলেন তিনি।এর আগে আরব বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিউনিসিয়ার নাজলা বুদেন।সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে ফাতিমার দল অথেন্টিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পাম) ৯৭টি আসন পেয়েছে। নির্বাচনে এটিই সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল। নির্বাচনের পর দলটির নেতা ফাতিমা জাহরা এল মানসুরিকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ।৫০ বছর বয়সী ফাতিমা পেশায় আইনজীবী। মরক্কোর মোহাম্মদ পঞ্চম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রে করপোরেট আইনে উচ্চতর শিক্ষা নেন।২০০৯ সালে মারাকেশের প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত হন ফাতিমা। পরে তিনি মরক্কোর নগর পরিকল্পনা ও আবাসনবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।রাজনীতিতে নারীদের অধিকার ও উত্তরাধিকার আইনের মতো বিতর্কিত বিষয়ে ফাতিমা বরাবরই সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াকে তিনি বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।এর আগে এক বক্তব্যে বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদকে নারীদের অন্যতম বড় সমর্থক হিসেবে অভিহিত করেন ফাতিমা।তবে নতুন সরকারের সামনে জোট গঠনের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মরক্কোর সংসদে মোট আসন ৩৯৫টি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৯৮টি আসন। সেখানে পাম পেয়েছে ৯৭টি আসন। ফলে সরকার গঠনে অন্য দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে হবে দলটিকে।বিদায়ী ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল র্যালি অব ইন্ডিপেনডেন্টসের (আরএনআই) সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে। অন্যদিকে ইসলামপন্থী জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (পিজেডি) বিরোধী দলে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন জোট গঠন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।ফাতিমার নেতৃত্বে নতুন সরকার কীভাবে জোট গঠন করে, এখন সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একই সঙ্গে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেও নজর থাকবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মরক্কোর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পেয়েছেন একজন নারী। দেশটির বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ ফাতিমা জাহরা এল মানসুরিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে আরব বিশ্বের দ্বিতীয় নারী সরকারপ্রধান হলেন তিনি।
এর আগে আরব বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিউনিসিয়ার নাজলা বুদেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে ফাতিমার দল অথেন্টিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পাম) ৯৭টি আসন পেয়েছে। নির্বাচনে এটিই সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল। নির্বাচনের পর দলটির নেতা ফাতিমা জাহরা এল মানসুরিকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ।
৫০ বছর বয়সী ফাতিমা পেশায় আইনজীবী। মরক্কোর মোহাম্মদ পঞ্চম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রে করপোরেট আইনে উচ্চতর শিক্ষা নেন।
২০০৯ সালে মারাকেশের প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত হন ফাতিমা। পরে তিনি মরক্কোর নগর পরিকল্পনা ও আবাসনবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতিতে নারীদের অধিকার ও উত্তরাধিকার আইনের মতো বিতর্কিত বিষয়ে ফাতিমা বরাবরই সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াকে তিনি বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে এক বক্তব্যে বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদকে নারীদের অন্যতম বড় সমর্থক হিসেবে অভিহিত করেন ফাতিমা।
তবে নতুন সরকারের সামনে জোট গঠনের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মরক্কোর সংসদে মোট আসন ৩৯৫টি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৯৮টি আসন। সেখানে পাম পেয়েছে ৯৭টি আসন। ফলে সরকার গঠনে অন্য দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে হবে দলটিকে।
বিদায়ী ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল র্যালি অব ইন্ডিপেনডেন্টসের (আরএনআই) সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে। অন্যদিকে ইসলামপন্থী জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (পিজেডি) বিরোধী দলে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন জোট গঠন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
ফাতিমার নেতৃত্বে নতুন সরকার কীভাবে জোট গঠন করে, এখন সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একই সঙ্গে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেও নজর থাকবে।