মক্কার দিকে হুতিদের ড্রোন, ভূপাতিতের দাবি সৌদির.
মক্কার দিকে ছুটে আসা একটি ড্রোন সৌদি আরবের আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের দাবি, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ড্রোনটি ছুড়েছিল।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে। পরে মক্কার দক্ষিণে সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ সেখানে গিয়ে পড়ে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ উঠেছিল হুতিদের বিরুদ্ধে।
ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর জোট অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। সংস্থাটি হামলার চেষ্টাকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবের প্রতি সংহতি জানিয়েছে তারা।
এর আগে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এসব হামলায় কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও কয়েকটি এলাকা দখল করে। এরপর দেশটিতে সংঘাত শুরু হয়। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট সামরিক হস্তক্ষেপ করে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মক্কার দিকে ছুটে আসা একটি ড্রোন সৌদি আরবের আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের দাবি, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ড্রোনটি ছুড়েছিল।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে। পরে মক্কার দক্ষিণে সেটি ধ্বংস করা হয়। ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ সেখানে গিয়ে পড়ে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ উঠেছিল হুতিদের বিরুদ্ধে।
ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর জোট অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। সংস্থাটি হামলার চেষ্টাকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবের প্রতি সংহতি জানিয়েছে তারা।
এর আগে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এসব হামলায় কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও কয়েকটি এলাকা দখল করে। এরপর দেশটিতে সংঘাত শুরু হয়। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট সামরিক হস্তক্ষেপ করে।