কুয়েত-জর্ডান-বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
কুয়েত-জর্ডান-বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা.
কুয়েত, জর্ডান, ইরাক ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এর আগে মঙ্গলবার দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের হরমুজ প্রণালি এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর কয়েক ঘণ্টা পরই পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। খবর আল–জাজিরার।কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশটির আকাশসীমায় ড্রোন প্রবেশ করেছে। কোনো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে তা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোন ভূপাতিত করার শব্দ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য সবাইকে নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে ‘ভারী’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, দীর্ঘপাল্লার আরকিউ-৪ ও এমকিউ-৯ ড্রোন থাকা হ্যাঙ্গারগুলো লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, হামলায় কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। কয়েকজন মার্কিন ফ্লাইট ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। কারিগরি অবকাঠামোর কয়েকটি অংশেও আগুন ধরে যায়।তবে এ হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডান।এর আগে জর্ডানের ‘ক্যাম্প তিতিনে’ মার্কিন মেরিন সেনাদের ব্যারাক লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছিল আইআরজিসি। তাদের দাবি, ওই হামলায় অনেক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। ক্যাম্পটির কয়েকটি স্থাপনা এবং শত্রুপক্ষের ‘অ্যাটাক হেলিকপ্টার’ ধ্বংস করা হয়েছে।আইআরজিসি বলেছে, হরমুজগান প্রদেশের সিরিকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ওই হামলায় এক শিশুসহ চারজন নিহত ও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।এদিকে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করে। এর মধ্যে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ধ্বংস করে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতেও বড় আকারের ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। আইআরজিসি বলেছে, ঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা এবং মার্কিন সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।ইরাকে থাকা মার্কিন সেনাদের ওপরও হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে আইআরজিসি।এর আগে মঙ্গলবার দক্ষিণ ইরানের বেশ কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। গত জুলাইয়ের পর রোববার রাতে প্রথমবারের মতো দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে ‘কঠোর’ আঘাতের হুমকি দেন। এর পরদিনই মঙ্গলবারের হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী।ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাত দিয়ে আল–জাজিরা জানিয়েছে, বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, কোনারাক, চাবাহার, জাস্ক, সিরিক, লাভান ও আসলুয়েহ এলাকায় হামলা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আহভাজ প্রদেশেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, এসব হামলার জবাবে ইরান পাল্টা আঘাত করলে দেশটির ওপর আরও কঠোর হামলা চালানো হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
কুয়েত, জর্ডান, ইরাক ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এর আগে মঙ্গলবার দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের হরমুজ প্রণালি এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর কয়েক ঘণ্টা পরই পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। খবর আল–জাজিরার।
কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশটির আকাশসীমায় ড্রোন প্রবেশ করেছে। কোনো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে তা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোন ভূপাতিত করার শব্দ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য সবাইকে নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে ‘ভারী’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, দীর্ঘপাল্লার আরকিউ-৪ ও এমকিউ-৯ ড্রোন থাকা হ্যাঙ্গারগুলো লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, হামলায় কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। কয়েকজন মার্কিন ফ্লাইট ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। কারিগরি অবকাঠামোর কয়েকটি অংশেও আগুন ধরে যায়।
তবে এ হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডান।
এর আগে জর্ডানের ‘ক্যাম্প তিতিনে’ মার্কিন মেরিন সেনাদের ব্যারাক লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছিল আইআরজিসি। তাদের দাবি, ওই হামলায় অনেক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। ক্যাম্পটির কয়েকটি স্থাপনা এবং শত্রুপক্ষের ‘অ্যাটাক হেলিকপ্টার’ ধ্বংস করা হয়েছে।
আইআরজিসি বলেছে, হরমুজগান প্রদেশের সিরিকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ওই হামলায় এক শিশুসহ চারজন নিহত ও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
এদিকে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করে। এর মধ্যে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ধ্বংস করে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতেও বড় আকারের ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। আইআরজিসি বলেছে, ঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা এবং মার্কিন সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
ইরাকে থাকা মার্কিন সেনাদের ওপরও হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে আইআরজিসি।
এর আগে মঙ্গলবার দক্ষিণ ইরানের বেশ কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। গত জুলাইয়ের পর রোববার রাতে প্রথমবারের মতো দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে ‘কঠোর’ আঘাতের হুমকি দেন। এর পরদিনই মঙ্গলবারের হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী।
ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাত দিয়ে আল–জাজিরা জানিয়েছে, বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, কোনারাক, চাবাহার, জাস্ক, সিরিক, লাভান ও আসলুয়েহ এলাকায় হামলা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আহভাজ প্রদেশেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, এসব হামলার জবাবে ইরান পাল্টা আঘাত করলে দেশটির ওপর আরও কঠোর হামলা চালানো হবে।