যুদ্ধের মধ্যেই ইরানে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
যুদ্ধের মধ্যেই ইরানে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান.
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই বিশাল একটি গ্যাসের খনির সন্ধান পেয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে এই খনির সন্ধান মিলেছে। এতে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা প্রায় ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গতকাল রোববার দেশটির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নতুন খনির গ্যাসের বড় অংশই উত্তোলন করা সম্ভব হবে।পাকনেজাদের ভাষ্য অনুযায়ী, খনিটিতে থাকা গ্যাসের প্রায় ৭২ থেকে ৭৩ শতাংশ উত্তোলনযোগ্য। এতে ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা ১৬০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।মন্ত্রী বলেন, নতুন খনির গ্যাস ‘সুইট গ্যাস’ বা তুলনামূলক বিশুদ্ধ প্রকৃতির। এতে হাইড্রোজেন সালফাইডসহ অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় উপাদান কম। ফলে এই গ্যাস উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচ তুলনামূলক কম হতে পারে।নতুন খনিতে গ্যাসের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস কনডেনসেটও রয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, সব মিলিয়ে এই সম্পদ দেশটির জাতীয় সম্পদে কয়েক হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ মূল্য যোগ করতে পারে। উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি ধাপের প্রায় ১৫ বছরের উৎপাদনের সমান।ইরান বিশ্বের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতধারী দেশ। যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন করত। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে।জুলাইয়ে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, হামলার কারণে দৈনিক প্রায় ২৩০ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা কমে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামত করে আগামী কয়েক মাসে দৈনিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনমিটার উৎপাদন সক্ষমতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই নতুন গ্যাসের খনির সন্ধান পেল ইরান। তবে এই খনি থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হতে সময় লাগতে পারে। যুদ্ধের কারণে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো এখনো ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।সূত্র: ব্লুমবার্গ, এনডিটিভি, রয়টার্স
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই বিশাল একটি গ্যাসের খনির সন্ধান পেয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে এই খনির সন্ধান মিলেছে। এতে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা প্রায় ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গতকাল রোববার দেশটির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নতুন খনির গ্যাসের বড় অংশই উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
পাকনেজাদের ভাষ্য অনুযায়ী, খনিটিতে থাকা গ্যাসের প্রায় ৭২ থেকে ৭৩ শতাংশ উত্তোলনযোগ্য। এতে ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা ১৬০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, নতুন খনির গ্যাস ‘সুইট গ্যাস’ বা তুলনামূলক বিশুদ্ধ প্রকৃতির। এতে হাইড্রোজেন সালফাইডসহ অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় উপাদান কম। ফলে এই গ্যাস উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের খরচ তুলনামূলক কম হতে পারে।
নতুন খনিতে গ্যাসের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস কনডেনসেটও রয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, সব মিলিয়ে এই সম্পদ দেশটির জাতীয় সম্পদে কয়েক হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ মূল্য যোগ করতে পারে। উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি ধাপের প্রায় ১৫ বছরের উৎপাদনের সমান।
ইরান বিশ্বের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতধারী দেশ। যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন করত। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে।
জুলাইয়ে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, হামলার কারণে দৈনিক প্রায় ২৩০ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা কমে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামত করে আগামী কয়েক মাসে দৈনিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনমিটার উৎপাদন সক্ষমতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যেই নতুন গ্যাসের খনির সন্ধান পেল ইরান। তবে এই খনি থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হতে সময় লাগতে পারে। যুদ্ধের কারণে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো এখনো ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।