জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প: ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকা বহু মানুষ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প: ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকা বহু মানুষ.
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে এখনও নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চলছে। বিদ্যুৎ ও সড়কব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান দ্বীপ কিউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে এখনও অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে।গতকাল মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, এখনও অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। তাঁদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। আটকে পড়াদের উদ্ধারে সরকার সর্বোচ্চ সক্ষমতা প্রয়োগ করবে।মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে) কিউশুতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। জাপানের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা জেএমএর তথ্য অনুযায়ী, এর উৎপত্তিস্থল ছিল কুমামোতো জেলার সাগর উপকূল থেকে ২০ কিলোমিটার গভীরে।ভূমিকম্পটির উৎপত্তি সাগরের অগভীর অংশে হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুমামোতো জেলা।ভূমিকম্পে জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও ৩৬ হাজারের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন। সড়কগুলোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার প্রায় সব সড়কেই ফাটল দেখা দিয়েছে।ভূমিকম্পের পরপরই কুমামোতোর বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধারকর্মীরা রাতভর অভিযান চালিয়ে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা পর কুমামোতোর একটি শপিং মলে বিস্ফোরণ ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সরবরাহ লাইনে লিকেজের কারণে এ বিস্ফোরণ হয়েছে। মলটির ধ্বংসস্তূপ থেকে ২০ বছর বয়সী দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও সেখানে অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।বড় ধরনের ভূমিকম্পের পর আফটারশকের আশঙ্কা থাকায় অনেক বাসিন্দা এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।কুমামোতো কিউশুর সবচেয়ে বড় জেলা শহর। শহরটিতে প্রায় সাত লাখ মানুষের বসবাস।এদিকে, হাজার হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় এবং তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোয় বাসিন্দাদের মধ্যে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।সূত্র: রয়টার্স।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে এখনও নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চলছে। বিদ্যুৎ ও সড়কব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান দ্বীপ কিউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে এখনও অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, এখনও অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। তাঁদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। আটকে পড়াদের উদ্ধারে সরকার সর্বোচ্চ সক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে) কিউশুতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। জাপানের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা জেএমএর তথ্য অনুযায়ী, এর উৎপত্তিস্থল ছিল কুমামোতো জেলার সাগর উপকূল থেকে ২০ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তি সাগরের অগভীর অংশে হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুমামোতো জেলা।
ভূমিকম্পে জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও ৩৬ হাজারের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন। সড়কগুলোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার প্রায় সব সড়কেই ফাটল দেখা দিয়েছে।
ভূমিকম্পের পরপরই কুমামোতোর বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধারকর্মীরা রাতভর অভিযান চালিয়ে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল পর্যন্ত ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা পর কুমামোতোর একটি শপিং মলে বিস্ফোরণ ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সরবরাহ লাইনে লিকেজের কারণে এ বিস্ফোরণ হয়েছে। মলটির ধ্বংসস্তূপ থেকে ২০ বছর বয়সী দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও সেখানে অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বড় ধরনের ভূমিকম্পের পর আফটারশকের আশঙ্কা থাকায় অনেক বাসিন্দা এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
কুমামোতো কিউশুর সবচেয়ে বড় জেলা শহর। শহরটিতে প্রায় সাত লাখ মানুষের বসবাস।
এদিকে, হাজার হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় এবং তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোয় বাসিন্দাদের মধ্যে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।