ইরানকে ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ট্রাম্পের ৩ বড় পরিকল্পনা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইরানকে ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ট্রাম্পের ৩ বড় পরিকল্পনা.
ইরানকে প্রতিহত করতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের নিয়ে আঞ্চলিক জোট গঠন, ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামো জোরদার—এমন তিনটি বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।দুই মার্কিন কর্মকর্তা ও আরও দুটি সূত্রের বরাতে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি কৌশল নিয়ে কাজ করছে। এর মূল লক্ষ্য ইরানকে মোকাবিলায় আঞ্চলিক প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পরিধি বাড়ানো।তবে পরিকল্পনাটি এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এবং ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিচালনার জন্য এটি তৈরি করা হচ্ছে।সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প তাঁর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে এ বিষয়ে দুটি বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন ধারণা তুলে ধরা হয়।ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে তিনি ‘এর চেয়ে অনেক বড় কিছু’ নিয়ে কাজ করছেন। তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।আলোচনায় তিন পরিকল্পনাঅ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য কৌশলটির তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে আলোচনা হয়েছে।প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তার গ্যারান্টার হিসেবে রেখে ইরানকে প্রতিহত করতে মার্কিন মিত্রদের নিয়ে একটি আঞ্চলিক জোট গঠন করা।দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তি করা এবং ইসরাইল-লেবানন চুক্তি বাস্তবায়ন করা।তৃতীয়ত, ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের পরিধি বাড়ানো এবং সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি সম্পন্ন করা।আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হলো ইসরাইল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত একগুচ্ছ চুক্তি।ইসরায়েলের নির্বাচনের দিকেও নজরসূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন আশা করছে, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের পর গঠিত নতুন ইসরাইলি সরকার যুদ্ধ-পরবর্তী এই কৌশল বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী ও সক্ষম হবে।তবে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন—এমনকি দেশটিতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হলেও—ট্রাম্প তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চাপ অব্যাহত রাখবেন।প্রক্রিয়াটির সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, কৌশলটির খসড়া প্রস্তুত করতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। পরিকল্পনাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।সূত্র: অ্যাক্সিওস
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরানকে প্রতিহত করতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের নিয়ে আঞ্চলিক জোট গঠন, ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামো জোরদার—এমন তিনটি বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দুই মার্কিন কর্মকর্তা ও আরও দুটি সূত্রের বরাতে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি কৌশল নিয়ে কাজ করছে। এর মূল লক্ষ্য ইরানকে মোকাবিলায় আঞ্চলিক প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পরিধি বাড়ানো।
তবে পরিকল্পনাটি এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এবং ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিচালনার জন্য এটি তৈরি করা হচ্ছে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প তাঁর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে এ বিষয়ে দুটি বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন ধারণা তুলে ধরা হয়।
ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে তিনি ‘এর চেয়ে অনেক বড় কিছু’ নিয়ে কাজ করছেন। তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
আলোচনায় তিন পরিকল্পনা
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য কৌশলটির তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তার গ্যারান্টার হিসেবে রেখে ইরানকে প্রতিহত করতে মার্কিন মিত্রদের নিয়ে একটি আঞ্চলিক জোট গঠন করা।
দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তি করা এবং ইসরাইল-লেবানন চুক্তি বাস্তবায়ন করা।
তৃতীয়ত, ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের পরিধি বাড়ানো এবং সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি সম্পন্ন করা।
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হলো ইসরাইল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত একগুচ্ছ চুক্তি।
ইসরায়েলের নির্বাচনের দিকেও নজর
সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন আশা করছে, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের পর গঠিত নতুন ইসরাইলি সরকার যুদ্ধ-পরবর্তী এই কৌশল বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী ও সক্ষম হবে।
তবে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন—এমনকি দেশটিতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হলেও—ট্রাম্প তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চাপ অব্যাহত রাখবেন।
প্রক্রিয়াটির সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, কৌশলটির খসড়া প্রস্তুত করতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। পরিকল্পনাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।