ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা.
ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে নতুন অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইরানের আয়ের উৎস ও বৈশ্বিক আর্থিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চায় ওয়াশিংটন।সোমবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এ কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দেয়। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এটিকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।বেসেন্ট বলেন, ইরানের তেল খাতসহ বিভিন্ন আয়ের উৎস বন্ধ করাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে অন্য দেশ ও কোম্পানিগুলোকে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা থেকে বিরত রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।তাঁর ভাষ্য, ইরানের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার সব অর্থনৈতিক পথ বন্ধ করতে চায় ওয়াশিংটন। এর ফলে তেহরান আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন হবে।ইরানের সঙ্গে তেল কেনাবেচা ও ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সতর্ক করেছেন বেসেন্ট। তাঁর মতে, ইরানের সঙ্গে লেনদেন অব্যাহত রাখলে এসব দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি বাড়বে।নতুন অভিযানে ইরানের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংযোগের পাশাপাশি ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান চলাচল ও শিপিং খাতকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এসব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।বেসেন্ট বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে কেউ নেই। যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরানের আর্থিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন সহজ করতে ভূমিকা রাখবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ও ব্যবসা সীমিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন বলে জানান বেসেন্ট।তাঁর মতে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবে, তারা অংশীদারত্বের সুফল পাবে। অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখলে সংশ্লিষ্ট দেশ ও প্রতিষ্ঠানের ওপরও চাপ বাড়তে পারে।তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক সীমিত করার মতো অর্থনৈতিক অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র নেই।ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মধ্যেই ওয়াশিংটন এ নতুন অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করল। সামরিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে নতুন অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইরানের আয়ের উৎস ও বৈশ্বিক আর্থিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চায় ওয়াশিংটন।
সোমবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এ কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দেয়। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এটিকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বেসেন্ট বলেন, ইরানের তেল খাতসহ বিভিন্ন আয়ের উৎস বন্ধ করাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে অন্য দেশ ও কোম্পানিগুলোকে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা থেকে বিরত রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
তাঁর ভাষ্য, ইরানের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার সব অর্থনৈতিক পথ বন্ধ করতে চায় ওয়াশিংটন। এর ফলে তেহরান আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন হবে।
ইরানের সঙ্গে তেল কেনাবেচা ও ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সতর্ক করেছেন বেসেন্ট। তাঁর মতে, ইরানের সঙ্গে লেনদেন অব্যাহত রাখলে এসব দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি বাড়বে।
নতুন অভিযানে ইরানের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংযোগের পাশাপাশি ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান চলাচল ও শিপিং খাতকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এসব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বেসেন্ট বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে কেউ নেই। যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরানের আর্থিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন সহজ করতে ভূমিকা রাখবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ও ব্যবসা সীমিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন বলে জানান বেসেন্ট।
তাঁর মতে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবে, তারা অংশীদারত্বের সুফল পাবে। অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখলে সংশ্লিষ্ট দেশ ও প্রতিষ্ঠানের ওপরও চাপ বাড়তে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক সীমিত করার মতো অর্থনৈতিক অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র নেই।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মধ্যেই ওয়াশিংটন এ নতুন অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করল। সামরিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।