ইরানি ট্যাংকারে মার্কিন হামলার পর জর্দানে ক্ষেপণাস্ত্র চালালো ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইরানি ট্যাংকারে মার্কিন হামলার পর জর্দানে ক্ষেপণাস্ত্র চালালো ইরান.
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর পর জর্দানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত দুই দিনে ইরান দুইবার একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার চেষ্টা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চারটি ইরানি ট্যাংকারকে ওমান উপসাগরে এবং আরেকটি ট্যাংকারকে ইরানের উপকূলের কাছে খার্গ দ্বীপের কাছে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।মার্কিন হামলার পর জর্দানে থাকা একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। জর্দানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করে। বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়ে। এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেলবাহী জাহাজগুলোর কর্মীদের দ্রুত সরে যাওয়ার সতর্কতা দিয়েছে। বন্দরে নোঙর করা অবস্থাতেও এসব জাহাজে হামলা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।সেন্টকমের দাবি, ইরানের লক্ষ্য ছিল একটি মার্কিন নৌযান। তবে মার্কিন বাহিনী হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এতে কোনো মার্কিন সেনা আহত হয়নি বলে জানিয়েছে তারা।যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হামলা চালানো পাঁচটি ট্যাংকার ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়নে ব্যবহৃত ‘বহু বিলিয়ন ডলারের ছায়া নেটওয়ার্কের’ অংশ।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান যখনই মার্কিন নৌযানে হামলা বা হামলার চেষ্টা করবে, তখনই তাদের তেলবাহী ট্যাংকার হারাতে হবে।ইরানের তেল রপ্তানির জন্য খার্গ দ্বীপ গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনালটি সেখানে অবস্থিত। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে খার্গ দ্বীপে এনে রপ্তানি করা হয়।এই সংঘাতের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও। হামলার খবরের পর ব্রেন্ট crude-এর দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪১ ডলারে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ৫৫ ডলারে উঠেছে।এর আগে ৫ সেপ্টেম্বরও যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছিল। ওয়াশিংটন এর আগে দাবি করেছিল, ইরান একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ও একটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারে হামলার চেষ্টা করেছে।গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা বেড়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।সূত্র: বিবিসি
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর পর জর্দানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত দুই দিনে ইরান দুইবার একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার চেষ্টা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চারটি ইরানি ট্যাংকারকে ওমান উপসাগরে এবং আরেকটি ট্যাংকারকে ইরানের উপকূলের কাছে খার্গ দ্বীপের কাছে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
মার্কিন হামলার পর জর্দানে থাকা একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। জর্দানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করে। বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়ে। এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেলবাহী জাহাজগুলোর কর্মীদের দ্রুত সরে যাওয়ার সতর্কতা দিয়েছে। বন্দরে নোঙর করা অবস্থাতেও এসব জাহাজে হামলা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, ইরানের লক্ষ্য ছিল একটি মার্কিন নৌযান। তবে মার্কিন বাহিনী হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এতে কোনো মার্কিন সেনা আহত হয়নি বলে জানিয়েছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হামলা চালানো পাঁচটি ট্যাংকার ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়নে ব্যবহৃত ‘বহু বিলিয়ন ডলারের ছায়া নেটওয়ার্কের’ অংশ।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান যখনই মার্কিন নৌযানে হামলা বা হামলার চেষ্টা করবে, তখনই তাদের তেলবাহী ট্যাংকার হারাতে হবে।
ইরানের তেল রপ্তানির জন্য খার্গ দ্বীপ গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনালটি সেখানে অবস্থিত। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে খার্গ দ্বীপে এনে রপ্তানি করা হয়।
এই সংঘাতের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও। হামলার খবরের পর ব্রেন্ট crude-এর দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪১ ডলারে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ৫৫ ডলারে উঠেছে।
এর আগে ৫ সেপ্টেম্বরও যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছিল। ওয়াশিংটন এর আগে দাবি করেছিল, ইরান একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ও একটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারে হামলার চেষ্টা করেছে।
গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা বেড়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।