ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, আবারও বাড়ল তেলের দাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, আবারও বাড়ল তেলের দাম.
ইরানের সাত দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তেলের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এশিয়ার বাজারে লেনদেনের শুরুতে অপরিশোধিত তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়। সর্বশেষ হিসাবে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ২২ ডলারে উঠেছে।ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি আবার খুলবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। ফলে প্রণালিটি বন্ধ বা সীমিত থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে।এর আগে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনা আবার শুরু করা হবে।ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান বন্ধ করা, নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া, দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমানো এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছেড়ে দেওয়া।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশে সাংবাদিকদের আরাগচি বলেন, এসব শর্ত পূরণ হলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা আবার শুরু করা সম্ভব।তবে ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। পরে তিনি নিজেই বলেন, ‘তারা একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি।’ইরানের প্রস্তাবের খবর প্রকাশের পর গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছিল। হরমুজ প্রণালি আবার খুলতে পারে—এমন সম্ভাবনাই তখন বাজারে স্বস্তি তৈরি করেছিল। কিন্তু প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর সেই স্বস্তি অনেকটাই কমে গেছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরানের সাত দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তেলের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এশিয়ার বাজারে লেনদেনের শুরুতে অপরিশোধিত তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়। সর্বশেষ হিসাবে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ২২ ডলারে উঠেছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি আবার খুলবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। ফলে প্রণালিটি বন্ধ বা সীমিত থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে।
এর আগে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনা আবার শুরু করা হবে।
ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান বন্ধ করা, নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া, দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমানো এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছেড়ে দেওয়া।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশে সাংবাদিকদের আরাগচি বলেন, এসব শর্ত পূরণ হলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা আবার শুরু করা সম্ভব।
তবে ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। পরে তিনি নিজেই বলেন, ‘তারা একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি।’
ইরানের প্রস্তাবের খবর প্রকাশের পর গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছিল। হরমুজ প্রণালি আবার খুলতে পারে—এমন সম্ভাবনাই তখন বাজারে স্বস্তি তৈরি করেছিল। কিন্তু প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর সেই স্বস্তি অনেকটাই কমে গেছে।