ইরানে সামরিক অভিযান নয়, অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে চান ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইরানে সামরিক অভিযান নয়, অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে চান ট্রাম্প.
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর পথে আপাতত হাঁটতে চান না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বরং তেহরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর করে যুদ্ধাবস্থা ধরে রাখার কৌশল নিয়েছে ওয়াশিংটন।মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা জানান। তিনি বলেন, আপাতত ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে দেশটির অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হতে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।এর মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। তবে এবার তিনি নতুন কোনো সামরিক হুমকি দেননি।হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আবার চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা বিলম্বিত হচ্ছে। এ নিয়েও এবার প্রকাশ্যে কোনো ক্ষোভ দেখাননি ট্রাম্প।বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খুব বেশি সামনে আনছি না।’ তাঁর ভাষ্য, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আংশিকভাবে আলোচনা করছে। একই সঙ্গে তেহরানের ব্যাপক মূল্যস্ফীতি ও অর্থসংকটও পর্যবেক্ষণ করছে ওয়াশিংটন।ট্রাম্পের দাবি, ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। এমনকি দেশটির সেনাদের বেতন দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থও নেই। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ইরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও তীব্র করেছে।এদিকে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে ইরান নতুন কিছু শর্তও দিয়েছে।তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের কিছু বেশি থাকায় যুদ্ধের কারণে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর জ্বালানি ব্যয়ের চাপ তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।ইরান নিয়ে নিজের বর্তমান কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ পরিস্থিতিকে তিনি অনেকটা দাবা খেলার সঙ্গে তুলনা করেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর পথে আপাতত হাঁটতে চান না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বরং তেহরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর করে যুদ্ধাবস্থা ধরে রাখার কৌশল নিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা জানান। তিনি বলেন, আপাতত ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে দেশটির অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হতে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। তবে এবার তিনি নতুন কোনো সামরিক হুমকি দেননি।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আবার চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা বিলম্বিত হচ্ছে। এ নিয়েও এবার প্রকাশ্যে কোনো ক্ষোভ দেখাননি ট্রাম্প।
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খুব বেশি সামনে আনছি না।’ তাঁর ভাষ্য, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আংশিকভাবে আলোচনা করছে। একই সঙ্গে তেহরানের ব্যাপক মূল্যস্ফীতি ও অর্থসংকটও পর্যবেক্ষণ করছে ওয়াশিংটন।
ট্রাম্পের দাবি, ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। এমনকি দেশটির সেনাদের বেতন দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থও নেই। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ইরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও তীব্র করেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে ইরান নতুন কিছু শর্তও দিয়েছে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের কিছু বেশি থাকায় যুদ্ধের কারণে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর জ্বালানি ব্যয়ের চাপ তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।
ইরান নিয়ে নিজের বর্তমান কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’ পরিস্থিতিকে তিনি অনেকটা দাবা খেলার সঙ্গে তুলনা করেন।