ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় আবারও বাড়ল তেলের দাম.
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা কমে এসেছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬২ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪ দশমিক ৩৯ ডলারে উঠেছে। এর আগে টানা দরপতনে ব্রেন্টের দাম তিন সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও ৬১ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৯৫ ডলারে পৌঁছেছে। আগের লেনদেনে এটির দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে প্রায় এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল।এদিকে, সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে।ট্রাম্প বলেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও কাতারসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।তবে একই দিন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।তেহরানের এই অবস্থানের বিপরীতে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনই কথা বলছি।’তিনি আরও বলেন, ‘তাদের জন্য একটি ভালো চুক্তিতে সই করার এটাই শেষ সুযোগ। শিরশ্ছেদের আগে আমি তাদের সম্ভাব্য সবশেষ সুযোগ দিতে চাই।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা কমে এসেছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬২ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪ দশমিক ৩৯ ডলারে উঠেছে। এর আগে টানা দরপতনে ব্রেন্টের দাম তিন সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও ৬১ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৯৫ ডলারে পৌঁছেছে। আগের লেনদেনে এটির দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে প্রায় এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল।
এদিকে, সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে।
ট্রাম্প বলেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও কাতারসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
তবে একই দিন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।
তেহরানের এই অবস্থানের বিপরীতে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনই কথা বলছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের জন্য একটি ভালো চুক্তিতে সই করার এটাই শেষ সুযোগ। শিরশ্ছেদের আগে আমি তাদের সম্ভাব্য সবশেষ সুযোগ দিতে চাই।’