ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত.
ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় ফ্লোরেস অঞ্চলে ফের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। আজ সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।জার্মানির ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।ফ্লোরেস ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত। অঞ্চলটিতে আটটি রিজেন্সি বা স্থানীয় সরকার ইউনিট রয়েছে।এর আগে গত শনিবার, ১৫ আগস্ট পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ৩৪১টি পরাঘাত বা আফটারশক হয়। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলও ছিল ফ্লোরেস অঞ্চলে। এর গভীরতাও ছিল ১০ কিলোমিটার।শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পে পূর্ব নুসা তেঙ্গারার বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর ও ভবন ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ৫৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা বিএনপিবি।ওই ভূমিকম্পের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে হওয়া ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯।যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর সুমাত্রার অন্যতম বড় শহর পেমাতাংসিয়ানতার থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ছিল ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। এর গভীরতা ছিল ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার।এদিকে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে গতকাল রোববার ১৪ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রাদেশিক সরকার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অন্তরা নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।জরুরি অবস্থা জারির পরদিনই ফ্লোরেস অঞ্চলে ফের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলো।সূত্র: এনডিটিভি, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জার্মানির ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ফ্লোরেস ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত। অঞ্চলটিতে আটটি রিজেন্সি বা স্থানীয় সরকার ইউনিট রয়েছে।
এর আগে গত শনিবার, ১৫ আগস্ট পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ৩৪১টি পরাঘাত বা আফটারশক হয়। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলও ছিল ফ্লোরেস অঞ্চলে। এর গভীরতাও ছিল ১০ কিলোমিটার।
শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পে পূর্ব নুসা তেঙ্গারার বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর ও ভবন ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ৫৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা বিএনপিবি।
ওই ভূমিকম্পের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে হওয়া ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর সুমাত্রার অন্যতম বড় শহর পেমাতাংসিয়ানতার থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ছিল ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। এর গভীরতা ছিল ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার।
এদিকে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে গতকাল রোববার ১৪ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রাদেশিক সরকার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অন্তরা নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
জরুরি অবস্থা জারির পরদিনই ফ্লোরেস অঞ্চলে ফের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলো।