হরমুজ প্রণালিতে নৌজোট নিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের অনাগ্রহ.
অস্থির ও সংঘাতপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে কয়েক মাস ধরে আন্তর্জাতিক নৌজোট গঠনের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নৌবাহিনীর নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় মিত্র যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স এখন এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিতে আগের মতো আগ্রহী নয়। টেকসই যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হলে এমন মিশনে নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়ে দেশ দুটি আগে সম্মতি জানিয়েছিল।কিন্তু হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবও বাড়ছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে। তারপরও নৌজোট গঠনের উদ্যোগ খুব বেশি এগোয়নি।বিশ্লেষকেরা বলছেন, উদ্যোগটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়া ইউরোপীয় দেশগুলোর গভীর সতর্কতার প্রতিফলন। তাদের আশঙ্কা, এমন একটি অনিশ্চিত সংঘাতে জড়িয়ে পড়া বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যে সংঘাত তারা শুরু করেনি বা সমর্থনও করেনি।উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছ থেকেও এ সামরিক উদ্যোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট সমর্থন নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলোর অনাগ্রহ আরও বেড়েছে।রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট (আরইউএসআই) ও সেন্টার ফর আমেরিকান প্রগ্রেসের জ্যেষ্ঠ গবেষক এইচ এ হেলিয়ার আল-জাজিরাকে বলেন, অন্যদের হয়ে ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে যুক্তরাজ্য বা ফ্রান্সের খুব একটা আগ্রহ নেই।তিনি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দাবি না থাকলে এমন উদ্যোগে তাদের আগ্রহ আরও কমে যায়।হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এই পথে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও।সূত্র: আলজাজিরা
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
অস্থির ও সংঘাতপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে কয়েক মাস ধরে আন্তর্জাতিক নৌজোট গঠনের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নৌবাহিনীর নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় মিত্র যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স এখন এ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিতে আগের মতো আগ্রহী নয়। টেকসই যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হলে এমন মিশনে নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়ে দেশ দুটি আগে সম্মতি জানিয়েছিল।
কিন্তু হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবও বাড়ছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে। তারপরও নৌজোট গঠনের উদ্যোগ খুব বেশি এগোয়নি।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, উদ্যোগটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়া ইউরোপীয় দেশগুলোর গভীর সতর্কতার প্রতিফলন। তাদের আশঙ্কা, এমন একটি অনিশ্চিত সংঘাতে জড়িয়ে পড়া বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যে সংঘাত তারা শুরু করেনি বা সমর্থনও করেনি।
উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছ থেকেও এ সামরিক উদ্যোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট সমর্থন নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলোর অনাগ্রহ আরও বেড়েছে।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট (আরইউএসআই) ও সেন্টার ফর আমেরিকান প্রগ্রেসের জ্যেষ্ঠ গবেষক এইচ এ হেলিয়ার আল-জাজিরাকে বলেন, অন্যদের হয়ে ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে যুক্তরাজ্য বা ফ্রান্সের খুব একটা আগ্রহ নেই।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দাবি না থাকলে এমন উদ্যোগে তাদের আগ্রহ আরও কমে যায়।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এই পথে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও।