হিমবাহধস-বন্যার পর এবার উত্তর তিব্বতে ভূমিকম্প, আতঙ্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
হিমবাহধস-বন্যার পর এবার উত্তর তিব্বতে ভূমিকম্প, আতঙ্ক.
হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যার পর এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে তিব্বত। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উত্তর তিব্বতে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মধ্যরাতে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। খবর রয়টার্সের।জিএফজেডের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র বুধবার আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপাল ও চীনের অঞ্চলগুলো থেকে কয়েক শ মাইল উত্তরে।এর আগে বুধবার তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পের খবর জানায় চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্র। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ তথ্য জানিয়েছে।এদিকে তিব্বতে একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে পানি আটকে সৃষ্ট হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বন্যা মোকাবিলায় চীন চতুর্থ স্তরের ‘ফ্লাড রেসপন্স’ ব্যবস্থা চালু করেছে।সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হ্রদটির পানির স্তর ও বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে।পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দলকে গিরং কাউন্টিতে পাঠানো হয়েছে।হিমবাহধস, বন্যা ও একের পর এক ভূমিকম্পের ঘটনায় তিব্বতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যার পর এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে তিব্বত। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উত্তর তিব্বতে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মধ্যরাতে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। খবর রয়টার্সের।
জিএফজেডের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র বুধবার আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপাল ও চীনের অঞ্চলগুলো থেকে কয়েক শ মাইল উত্তরে।
এর আগে বুধবার তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পের খবর জানায় চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্র। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে তিব্বতে একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে পানি আটকে সৃষ্ট হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বন্যা মোকাবিলায় চীন চতুর্থ স্তরের ‘ফ্লাড রেসপন্স’ ব্যবস্থা চালু করেছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হ্রদটির পানির স্তর ও বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে।
পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দলকে গিরং কাউন্টিতে পাঠানো হয়েছে।
হিমবাহধস, বন্যা ও একের পর এক ভূমিকম্পের ঘটনায় তিব্বতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।