ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাশিয়া-ইউক্রেনে একদিনে নিহত ২২ জন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাশিয়া-ইউক্রেনে একদিনে নিহত ২২ জন.
রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় গতকাল সোমবার দুই দেশে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় প্রাণহানি হয়েছে ১৫ জনের। অন্যদিকে ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত হয়েছেন ১১ জন।রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় গতকাল সোমবার দুই দেশে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাশিয়ার ১৫ জন এবং ইউক্রেনের ১১ জন নাগরিক রয়েছেন।রুশ প্রশাসনের তথ্যমতে, ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহতরা রাশিয়ার ক্রাসনোদার, বেলগোরোদ ও ক্রিমিয়ার বাসিন্দা।ক্রাসনোদারের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ এক বিবৃতিতে বলেন, প্রদেশের গেলেন্দঝিক জেলার পর্যটনপল্লী আরখিপো-ওসিপোভকায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তিন শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৪০ জন।একই দিনে কৃষ্ণ সাগরের উপদ্বীপ ক্রিমিয়া এবং ইউক্রেন সীমান্তবর্তী বেলগোরোদেও ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। এতে ক্রিমিয়ায় চারজন নিহত ও দুজন আহত হন। বেলগোরোদে নিহত হন আরও চারজন। আহত হয়েছেন ১৭ জন।অন্যদিকে সোমবার ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের কৃভি রিহ জেলার একটি পেট্রোল স্টেশনে বিস্ফোরকবাহী রুশ ড্রোন আঘাত হানে। এতে তিনজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন জরুরি পরিষেবাকর্মী ও তাঁর আট বছর বয়সী ছেলে রয়েছে।দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা টেলিগ্রামে জানান, হামলার পর পেট্রোল স্টেশনটিতে আগুন ধরে যায়। এতে স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।সোমবার রাতে ইউক্রেনের জাপোরিজ্জিয়া অঞ্চলেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রুশ বাহিনী। এতে দুই শিশুসহ আটজন নিহত হন।২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম দিকে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুহার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদিও উভয় পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের বিলিই কোলোদিয়াজ ও উস্পেনিভকা বসতি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। ক্রিমিয়ার স্বীকৃতি, ২০১৫ সালের মিনস্ক চুক্তি এবং ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদের প্রচেষ্টাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে এই অভিযান শুরু হয়। যুদ্ধ এখনো চলমান।সূত্র: আল–জাজিরা
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় গতকাল সোমবার দুই দেশে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় প্রাণহানি হয়েছে ১৫ জনের। অন্যদিকে ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত হয়েছেন ১১ জন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় গতকাল সোমবার দুই দেশে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাশিয়ার ১৫ জন এবং ইউক্রেনের ১১ জন নাগরিক রয়েছেন।
রুশ প্রশাসনের তথ্যমতে, ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহতরা রাশিয়ার ক্রাসনোদার, বেলগোরোদ ও ক্রিমিয়ার বাসিন্দা।
ক্রাসনোদারের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ এক বিবৃতিতে বলেন, প্রদেশের গেলেন্দঝিক জেলার পর্যটনপল্লী আরখিপো-ওসিপোভকায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তিন শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৪০ জন।
একই দিনে কৃষ্ণ সাগরের উপদ্বীপ ক্রিমিয়া এবং ইউক্রেন সীমান্তবর্তী বেলগোরোদেও ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। এতে ক্রিমিয়ায় চারজন নিহত ও দুজন আহত হন। বেলগোরোদে নিহত হন আরও চারজন। আহত হয়েছেন ১৭ জন।
অন্যদিকে সোমবার ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের কৃভি রিহ জেলার একটি পেট্রোল স্টেশনে বিস্ফোরকবাহী রুশ ড্রোন আঘাত হানে। এতে তিনজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন জরুরি পরিষেবাকর্মী ও তাঁর আট বছর বয়সী ছেলে রয়েছে।
দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা টেলিগ্রামে জানান, হামলার পর পেট্রোল স্টেশনটিতে আগুন ধরে যায়। এতে স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সোমবার রাতে ইউক্রেনের জাপোরিজ্জিয়া অঞ্চলেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রুশ বাহিনী। এতে দুই শিশুসহ আটজন নিহত হন।
২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম দিকে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুহার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদিও উভয় পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের বিলিই কোলোদিয়াজ ও উস্পেনিভকা বসতি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। ক্রিমিয়ার স্বীকৃতি, ২০১৫ সালের মিনস্ক চুক্তি এবং ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদের প্রচেষ্টাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে এই অভিযান শুরু হয়। যুদ্ধ এখনো চলমান।