বিশ্বজুড়ে অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার সাময়িক স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বিশ্বজুড়ে অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার সাময়িক স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের.
বিশ্বজুড়ে অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারের সময়সূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সব দূতাবাস ও কনস্যুলেটে নতুন একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরুর সঙ্গে সমন্বয় করে সাক্ষাৎকারের সময়সূচি পরিবর্তন করা হচ্ছে।মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানান। তবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি কত দিন চলবে বা কবে থেকে সাক্ষাৎকার আবার স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের আবেদনকারীদের আরও ভালোভাবে মূল্যায়নে সহায়তা করা হবে। বিশেষ করে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন—এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সব ভিসা আবেদনকারীকে একই নিয়মে এবং সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করা হবে।ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিতের খবর প্রথম প্রকাশ করে ফিন্যানশিয়াল টাইমস। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাক্ষাৎকারের তারিখ পাওয়া অনেক আবেদনকারী ই-মেইল পেয়েছেন। এতে তাঁদের জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সাক্ষাৎকারের তারিখ পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন তারিখ পরে জানানো হবে।প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কমাতে নানা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক বহিষ্কার অভিযান, ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিল এবং বিভিন্ন কারণে ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান।ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা। তবে এসব নীতি নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে।গত শুক্রবার এক মার্কিন বিচারক ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করার ট্রাম্প প্রশাসনের একটি নীতি বাতিল করে দেন। বিচারকের মতে, ওই নীতি বাস্তবায়নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতির সমালোচনা করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তাদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ বৈষম্যমূলক। এগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকারেরও পরিপন্থী।অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এসব নীতির কারণে বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর অতিরিক্ত নজরদারি ও বৈষম্যের ঝুঁকি বাড়তে পারে।২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তাঁর প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে বৈধ অভিবাসনের পথও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে সমালোচনা রয়েছে।নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার কবে থেকে স্বাভাবিক হবে, তা এখনো জানায়নি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বিশ্বজুড়ে অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারের সময়সূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সব দূতাবাস ও কনস্যুলেটে নতুন একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরুর সঙ্গে সমন্বয় করে সাক্ষাৎকারের সময়সূচি পরিবর্তন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানান। তবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি কত দিন চলবে বা কবে থেকে সাক্ষাৎকার আবার স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের আবেদনকারীদের আরও ভালোভাবে মূল্যায়নে সহায়তা করা হবে। বিশেষ করে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন—এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সব ভিসা আবেদনকারীকে একই নিয়মে এবং সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিতের খবর প্রথম প্রকাশ করে ফিন্যানশিয়াল টাইমস। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাক্ষাৎকারের তারিখ পাওয়া অনেক আবেদনকারী ই-মেইল পেয়েছেন। এতে তাঁদের জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সাক্ষাৎকারের তারিখ পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন তারিখ পরে জানানো হবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কমাতে নানা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাপক বহিষ্কার অভিযান, ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিল এবং বিভিন্ন কারণে ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা। তবে এসব নীতি নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে।
গত শুক্রবার এক মার্কিন বিচারক ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করার ট্রাম্প প্রশাসনের একটি নীতি বাতিল করে দেন। বিচারকের মতে, ওই নীতি বাস্তবায়নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতির সমালোচনা করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তাদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ বৈষম্যমূলক। এগুলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকারেরও পরিপন্থী।
অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এসব নীতির কারণে বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর অতিরিক্ত নজরদারি ও বৈষম্যের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তাঁর প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে বৈধ অভিবাসনের পথও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে সমালোচনা রয়েছে।
নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার কবে থেকে স্বাভাবিক হবে, তা এখনো জানায়নি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।