আইসিসি কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা অ্যামনেস্টির
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
আইসিসি কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা অ্যামনেস্টির.
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটির কর্মকর্তা এরিকা গুয়েভারা রোসাস এ পদক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ওপর নিন্দনীয় হামলা’ বলে মন্তব্য করেছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গুয়েভারা রোসাস বলেন, আইসিসিকে ভয় দেখানো এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করতেই এসব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ক্রমবর্ধমান প্রচারণার’ অংশ।সম্প্রতি আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং আদালতের জ্যেষ্ঠ ট্রায়াল আইনজীবী আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে গুয়েভারা রোসাস বলেন, বিষয়টি কোনোভাবেই ‘সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন নয়’। বরং আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় সংঘটিত গুরুতর অপরাধের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।তাঁর ভাষ্য, এর মাধ্যমে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জবাবদিহি থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।অ্যামনেস্টির এই কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রগুলোর উচিত এসব পাল্টা ব্যবস্থা অবিলম্বে এবং প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে হবে।তিনি বলেন, ভয়ভীতি, চাপ বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই আইসিসিকে তার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দিতে হবে।গুয়েভারা রোসাস আরও বলেন, আইসিসির মতো আন্তর্জাতিক বিচারিক প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের চাপ বা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা উচিত নয়। গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে আদালতের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি।এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।আইসিসির ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েল। আদালতের পদক্ষেপকে ইসরায়েল ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে আখ্যা দেয়। একই সঙ্গে এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলেও দাবি করে দেশটি।সূত্র: রয়টার্স
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটির কর্মকর্তা এরিকা গুয়েভারা রোসাস এ পদক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ওপর নিন্দনীয় হামলা’ বলে মন্তব্য করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গুয়েভারা রোসাস বলেন, আইসিসিকে ভয় দেখানো এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করতেই এসব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ক্রমবর্ধমান প্রচারণার’ অংশ।
সম্প্রতি আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং আদালতের জ্যেষ্ঠ ট্রায়াল আইনজীবী আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে গুয়েভারা রোসাস বলেন, বিষয়টি কোনোভাবেই ‘সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন নয়’। বরং আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় সংঘটিত গুরুতর অপরাধের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।
তাঁর ভাষ্য, এর মাধ্যমে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জবাবদিহি থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অ্যামনেস্টির এই কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রগুলোর উচিত এসব পাল্টা ব্যবস্থা অবিলম্বে এবং প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ভয়ভীতি, চাপ বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই আইসিসিকে তার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দিতে হবে।
গুয়েভারা রোসাস আরও বলেন, আইসিসির মতো আন্তর্জাতিক বিচারিক প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের চাপ বা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা উচিত নয়। গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে আদালতের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি।
এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।
আইসিসির ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েল। আদালতের পদক্ষেপকে ইসরায়েল ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে আখ্যা দেয়। একই সঙ্গে এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলেও দাবি করে দেশটি।